GPMS সহজীকরণ ও মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো নিয়ে পরামর্শ দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত
সরকারি চাকরিতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, কার্যকারিতা ও গতিশীলতা বাড়িয়ে জনসেবা আরও বেগবান করার লক্ষ্যে সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি (জিপিএমএস) বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছে এ-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
রোববার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা
সভায় জিপিএমএস বাস্তবায়নের সার্বিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি পর্যালোচনা করা হয়।
এ ছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত জিপিএমএসের সার্বিক মূল্যায়ন প্রতিবেদনও পর্যালোচনা করা হয়। সরকারি দপ্তরগুলোতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, সরকারের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কার্যকর পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
জিপিএমএস সহজীকরণে নতুন কমিটি
সভায় সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি সহজীকরণ এবং মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো (এমটিবিএফ) সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন যারা
সভায় কমিটির সদস্য জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাঈল জবিউল্লাহ এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিবরা সভায় অংশ নেন।
৫২ মন্ত্রণালয় ও বিভাগে চলছে জিপিএমএস
সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ২০ ধারা এবং সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪-এর ২৫৫ নম্বর নির্দেশনার আলোকে সরকারি অফিসগুলোর কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা সুদৃঢ় করতে জিপিএমএস চালু করা হয়েছে।
বর্তমানে ৫২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, ৩৮৬টি দপ্তর ও সংস্থাসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের মাঠপ্রশাসনে এ পদ্ধতির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

