অনুসরণ করুন:
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর দরবারে ‘বিশৃঙ্খলা’ নয়, বাহিনী পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ব্যবস্থা: আনসার-ভিডিপি

গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর দরবারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে তিন আনসার সদস্য গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদকে “বিভ্রান্তিকর” উল্লেখ করে ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

রোববার বাহিনীটির উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যাদের বিভিন্ন গণমাধ্যমে “আনসার সদস্য” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা মূলত স্বেচ্ছাসেবী গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (ভিডিপি)-এর সদস্য এবং তারা প্রধানমন্ত্রীর দরবারে অংশগ্রহণকারী অনুমোদিত প্রতিনিধিদলের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর দরবারে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কঠোর নিরাপত্তা যাচাই ও নির্ধারিত অনুমোদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। শুধুমাত্র নিরাপত্তা ছাড়পত্রপ্রাপ্ত সদস্যদেরই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট তিন ব্যক্তি কোনোভাবেই ওই দরবার বা সেদিনের অন্য কোনো কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের অনুমতি পাননি।

আনসার-ভিডিপি জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সদস্যদের কর্মকাণ্ড নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। এর ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠান শেষে সংশ্লিষ্ট তিন স্বেচ্ছাসেবী সদস্যের কর্মকাণ্ড তদন্ত করে “সন্দেহজনক সম্পৃক্ততার” তথ্য পাওয়া যায়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি দরবারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ নয়; বরং অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ব্যারাকে অবস্থান করে অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও প্রশিক্ষণ পরিবেশ বিঘ্নিত করার ষড়যন্ত্র, উসকানি এবং বাহিনী পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এতে দাবি করা হয়, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর দরবারে বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা যথাযথ নিয়ম-কানুন ও নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে সুশৃঙ্খল পরিবেশে অংশগ্রহণ করেন। একইসঙ্গে সদস্যদের যৌক্তিক দাবিদাওয়াও প্রচলিত বিধি-বিধান ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাহিনীটি আরও উল্লেখ করে, আনসার ও ভিডিপি একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ ও রাষ্ট্রনিষ্ঠ বাহিনী হিসেবে জাতীয় নিরাপত্তা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষায় অঙ্গীকারাবদ্ধ। বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ব্যাহত হয়—এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন