অনুসরণ করুন:
রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

জান্নাতুল হত্যা মামলা: বাদী ও সাক্ষীদের প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

আসামিরা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ শিশুটির বাবার; দ্রুত তদন্ত ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি

নেত্রকোণার কলমাকান্দায় পাঁচ বছরের শিশু জান্নাতুল হত্যা মামলার বাদী ও সাক্ষীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ আসামি জামিনে মুক্ত হওয়ার পর তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন শিশুটির বাবা ও মামলার বাদী আর্শাদ মিয়া। একই সঙ্গে মামলার তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

রোববার দুপুরে নেত্রকোণা জেলা প্রেসক্লাবের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন আর্শাদ মিয়া। এ সময় শিশুটির মা ইয়াসমীন আক্তার, পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হয় শিশুটির মরদেহ

শিশু জান্নাতুলের বাড়ি কলমাকান্দা উপজেলার সনুড়া জসিউড়া গ্রামে। গত ৪ মে বিকেলে সে নিখোঁজ হয়। দুই দিন পর, ৬ মে সকালে উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের হুগলী গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় শিশুটির মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল।

ঘটনার দিনই অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কলমাকান্দা থানায় হত্যা মামলা করেন তার বাবা আর্শাদ মিয়া।

জামিনে মুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ

সংবাদ সম্মেলনে আর্শাদ মিয়া অভিযোগ করেন, জান্নাতুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ আসামি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে তাঁরা মামলার বাদী ও সাক্ষীদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন।

এ কারণে মামলার বাদী ও সাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন তিনি। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন আর্শাদ মিয়া।

তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় উদ্বেগ

মামলার তদন্তে দীর্ঘ সময় পার হলেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন শিশুটির বাবা। এতে পরিবারটির মধ্যে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে শিশু জান্নাতুল হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে মামলার বাদী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ চাওয়া হয়।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন