মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

খোয়াই বাঁধের ভাঙনে হবিগঞ্জের ৪ হাজার মানুষ পানিবন্দি, তলিয়ে গেছে ধান-শাকসবজি


হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের দ্বিতীয় দফা ভাঙনে প্রায় চার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানির ঢলে উঠতি আউশ ধানসহ রোপা আমনের বীজতলা ও শাকসবজি পানিতে তলিয়ে গেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের প্রায় চার হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। এ ছাড়াও, বন্যাকবলিতদের জন্য ১০ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান জানান, ১২৫ হেক্টর উঠতি আউশ, ৯৫ হেক্টর রোপা আমন, ২২ হেক্টর রোপা আমনের বীজতলা ও ২৫ হেক্টর শাকসবজি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। গতকাল (রবিবার) দুপুরে ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সদর উপজেলার কালীগঞ্জনামক স্থানে আবার ভেঙে গিয়ে বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়।

গত ৯ জুলাই একই স্থানের ভাঙনে সদর ও বাহুবল উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন বন্যাকবলিত হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁধটি মেরামতের কাজ করছিল। এ পর্যন্ত ৩০ লাখ ব্যয়ও হয়ে গেছে।

জাতীয় সংসদে হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি জি কে গউছ গতকাল সকালে ওই বাঁধ এলাকায় মেরামত কাজ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। এ সময় তিনি কাজের মান দেখে অসন্তোষ ও এর স্থায়িত্ব নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি ফিরে যাওয়ার ১-২ ঘণ্টার মধ্যেই পুনরায় বাঁধটি ভেঙে যায়।

সোমবার বিকেলে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত খোয়াই নদীর পানি বিপদ সীমার ১২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন