রাত ১২ টায় তিনি বিমানবন্দরে এলে ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে যেতে দেয়া হয়। ইমিগ্রেশন পুলিশ জানিয়েছে জনাব হামিদের দেশত্যাগে কোন নিষেধাজ্ঞা ছিলনা। তবে একটি মামলা থাকলেও কোন ওয়ারেন্ট ছিলনা
এয়ারপোটে তোলপাড চলছে।
এক কর্মকর্তা বলেন উনি ভাল মানুষ । উনার মত সবাই রাজনীতি করলে আওযামীলীগের এমন দশা হতোনা
বিরোধীদলগুলোরও কোন ক্ষোভ ছিলনা তার প্রতি।
ইমিগ্রেশন জানিয়েছে উনার কাছে কোন ফিরতি টিকেট ছিলনা। দেশত্যাগের কারন চিকিৎসা
