আইএমএফের সঙ্গে প্রায় ১ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন পাওয়ার বিষয়ে স্টাফ-লেভেল সমঝোতায় পৌঁছেছে পাকিস্তান। বুধবার আইএমএফ এ তথ্য জানিয়েছে।
তবে এই অর্থ ছাড়ের জন্য আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। বোর্ড অনুমোদন দিলে অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তান নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক অর্থায়ন পাবে।
আইএমএফের সঙ্গে পাকিস্তানের চলমান ঋণ কর্মসূচির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার পর এই সমঝোতা হয়েছে। অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং কাঠামোগত সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থাটি।
চলমান আলোচনায় পাকিস্তানের জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানো বা পর্যায়ক্রমে তুলে দেওয়ার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন উন্নত করার বিষয়েও পাকিস্তানকে পদক্ষেপ নেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে।
এর পাশাপাশি সামাজিক ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় আরও কার্যকর করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় রাজস্ব বাড়ানো এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করাও পাকিস্তানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ঋণের চাপ এবং জ্বালানি ব্যয়ের মতো সমস্যার মধ্যে রয়েছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় দেশটি আন্তর্জাতিক ঋণ ও আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভর করছে।
আইএমএফের সঙ্গে নতুন সমঝোতাকে পাকিস্তানের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ঋণের অর্থ ছাড়ের আগে আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডের অনুমোদন এবং নির্ধারিত সংস্কার বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
আইএমএফ জানিয়েছে, বোর্ড অনুমোদন পাওয়ার পর প্রায় ১ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়নের পথ খুলে যেতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স; আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

