নগরবাসীর জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস প্রজেক্ট’ (IUPHPSP)-এর আওতাভুক্ত কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে ক্রিস্টোফ লেমিয়েরের নেতৃত্বে আগত বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিটের পরামর্শকদের বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। আলোচনায় নগর জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রকল্পটির আওতাধীন বিভিন্ন কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
প্রকল্পটির প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে মশক ও অন্যান্য বাহকবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ, হাসপাতাল-বহির্ভূত মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, দাবদাহ, বায়ু ও শব্দদূষণসহ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে জনস্বাস্থ্যের ওপর সৃষ্ট প্রভাব মোকাবিলা, আচরণগত পরিবর্তনমূলক যোগাযোগ কৌশলের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অসংক্রামক রোগ কমাতে প্রয়োজনীয় সুবিধা তৈরি করা।
প্রকল্পটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং ঢাকার পার্শ্ববর্তী সাভার ও তারাব পৌরসভা এলাকায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বৈঠকে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
নগরের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জন্য পৃথক দুটি নতুন মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের উদ্যোগ কামনা করেন।
বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়া, স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. রবিউল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

