বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে ঢাকার ডিসিকে চিঠি

আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা ও কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসককে (ডিসি) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ারের পক্ষে ওই চিঠি পৌঁছে দেয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চিঠিটি গ্রহণ করেছে বলে জানানো হয়।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধসহ আট দফা দাবিতে এ লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি জানান, ৩১ অক্টোবর সকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চ শুরু হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেবেন বলে জানান তিনি।

ড. হেলাল উদ্দিনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লংমার্চের পথে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা, বাগেরহাটের ফকিরহাট কাটাখালী মোড়, খুলনার শিববাড়ি মোড় (বাবরি চত্বর), খুলনার ফুলতলা বাসস্ট্যান্ড স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের মুজদী মোড় এবং চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এসব পথসভায় জাতীয় নেতারা বক্তব্য দেবেন।

কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে কুষ্টিয়া জেলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, লংমার্চের গাড়িবহর এবং জনসভা ও পথসভাগুলো শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এ জন্য প্রয়োজনীয় পুলিশ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি সড়ক ও জনপথ বিভাগের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ঢাকা জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠির মাধ্যমে অনুরোধ জানিয়েছেন।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন