রাজবাড়ীতে নিজ মেয়েকে প্রায় এক বছর ধরে ধর্ষণের দায়ে বাবাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
সোমবার দুপুরে রাজবাড়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. তৌহিদুল ইসলাম আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। সাম্প্রতিক প্রকাশিত প্রতিবেদনেও আদালতের রায় ও দণ্ডের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর ধরে ওই বাবা তার মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।
একপর্যায়ে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে বালিয়াকান্দি থানায় মামলা করেন।
মামলার পর দীর্ঘ সময় ধরে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন।
আসামির অনুপস্থিতিতে রায়
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
প্রকাশিত আদালত-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম শহিদুল ইসলাম বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারি কৌঁসুলির বক্তব্য
রাজবাড়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জাহিদ মোল্লা রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের এ রায় ঘোষণা করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

