রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার

নীলফামারীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. মোস্তাকিম বিল্লাহ (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৩)। শনিবার রাতে লালমনিরহাটের তিস্তা টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার সকালে এসআরবি-১৩-এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার মোস্তাকিম বিল্লাহ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার উত্তর পারুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের মো. নুরুজ্জামানের ছেলে।

প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে অভিযোগ

এসআরবি-১৩-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভুক্তভোগী কলেজছাত্রীর সঙ্গে মোস্তাকিম বিল্লাহর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ২০ জুন তিনি ওই ছাত্রীকে নিয়ে নীলফামারী শহরের উদয়ন পার্কে বেড়াতে যান। এ সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর মোস্তাকিম ওই ছাত্রীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি বলে জানা গেছে।

মামলা হওয়ার পর আত্মগোপনে, পরে গ্রেপ্তার

অভিযোগের পর মোস্তাকিম বিল্লাহ আত্মগোপনে চলে যান বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ অবস্থায় ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবার বাদী হয়ে থানায় মামলা করে।

মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে লালমনিরহাটের তিস্তা টোল প্লাজা এলাকা থেকে মোস্তাকিমকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি-১৩-এর সদস্যরা।

রোববার সকালে এসআরবি-১৩-এর মিডিয়া বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানানো হয়।

তদন্তের অপেক্ষায় মামলা

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের অগ্রগতি এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য জানা গেলে মামলার সর্বশেষ অবস্থা আরও স্পষ্ট হবে।

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগটি তদন্তাধীন থাকায় আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার আগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। মামলার তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন