দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাসহ ব্যাংক, বিমা, করপোরেশন, পুঁজিবাজার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখন বিধ্বস্ত অবস্থায় রয়েছে। রাজধানীতেই দিনে-দুপুরে ও রাতে নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। সরকারের কেন্দ্রস্থল রাজধানীর পরিস্থিতি থেকেই সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে ডেঙ্গুর টিকা আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, বিরোধী দলে থাকলেও দেশের প্রতি তাঁদের দায়িত্ব রয়েছে। তাই জনস্বাস্থ্যসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবেন না।
রোববার রাজধানীর মধুবাগ খেলার মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ‘৪-১০ অক্টোবর দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সপ্তাহ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ
দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, শুধু স্বাস্থ্যব্যবস্থাই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও সংকটের মধ্যে রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ব্যাংক, বিমা, করপোরেশন ও পুঁজিবাজারের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, রাজধানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থাকার পরও বিভিন্ন সময়ে অপরাধমূলক ঘটনা ঘটছে। সরকারের কেন্দ্রীয় অবস্থানেই যদি এমন পরিস্থিতি দেখা যায়, তাহলে দেশের অন্যান্য এলাকার পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশ সবার। বিরোধী দলে থাকলেও দেশের মানুষের প্রতি তাঁদের দায়িত্ব রয়েছে। তাই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতা, জননিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবার সংকট নিয়ে কথা বলা তাঁদের দায়িত্বের অংশ।
বিমানবন্দরে মুক্তিযোদ্ধার হয়রানির অভিযোগ
সংবাদ সম্মেলনের বাইরে অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার হয়রানির অভিযোগ তুলে ধরেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, তিন দিন আগে বিমানবন্দরে দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ১৯৭১ সালের রণাঙ্গনের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
ডা. শফিকুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ব্যক্তিকে নিজের লাগেজ পাওয়ার জন্য তিন ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়। ওমরাহ পালন শেষে তিনি ও তাঁর সঙ্গীরা জমজমের পানি সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু সেই পানি হস্তান্তর নিয়েও জটিলতা তৈরি হয় বলে অভিযোগ করেন জামায়াত আমির।
তিনি বলেন, প্রথমে তাঁদের জানানো হয়েছিল, পানির কনটেইনার মদিনায় রয়ে গেছে এবং বিমানে তোলা হয়নি। পরে খোঁজ নিয়ে জানানো হয়, কনটেইনারটি এসেছে, তবে ভুলক্রমে তাঁদের দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় ওই ব্যক্তি প্রতিবাদ জানান বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমানের অভিযোগ, বিমানবন্দরে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় ওই সাবেক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় তাঁকে একজনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে জামায়াত আমিরের দাবি, ওই ব্যক্তি কারও গায়ে হাত তোলেননি।
তিনি আরও বলেন, আদালতে তাঁদের আইনজীবীরা ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না বলে জানানো হয়েছে—এমন দাবি করেন তিনি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হাতকড়া পরানো ও হেলমেট পরিয়ে অপমান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
তবে বিমানবন্দরের ঘটনা, মামলার অভিযোগ, সিসিটিভি ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা মামলার নথিতে কী বলা হয়েছে, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধের দাবি
বিমানবন্দরের ঘটনাটি তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ওই ব্যক্তি শুধু নিজের জন্য প্রতিবাদ করেননি; বরং বিদেশফেরত সাধারণ যাত্রী এবং প্রবাসীদের দুর্ভোগের বিষয়টিও সামনে এনেছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, অনেক প্রবাসীর লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করা হয়। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এসব মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিমানবন্দরে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। যাত্রীরা যেন তাঁদের মালামাল নিরাপদে পান এবং কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ
দেশের বিভিন্ন স্থানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ নিয়েও কথা বলেন জামায়াত আমির। তিনি একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে ভাঙচুর ও সম্পদ নষ্ট করার ঘটনা উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজসহ প্রয়োজনীয় তথ্য ব্যবহার করা হচ্ছে কি না।
তাঁর অভিযোগ, কোনো কোনো ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা থাকার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। একজন জনপ্রতিনিধির পদত্যাগের বিষয়টি সামনে এলেও অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দল থেকে বহিষ্কার বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণকে অবহেলা করে কিংবা তথ্য আড়াল করে কোনো ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া সম্ভব নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তারের কারণে এখন দ্রুত বিভিন্ন ঘটনা মানুষের সামনে চলে আসে। তাই অপরাধের অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করা উচিত।
তবে চিকিৎসাকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, মামলা, তদন্ত এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের স্বাধীন সমর্থনকারী তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি
অনুষ্ঠানের মূল বিষয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ডেঙ্গুর পাশাপাশি হামসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জনস্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যাগুলো সংসদে উত্থাপন করা হলেও কখনো কখনো সেগুলোর গুরুত্ব যথাযথভাবে স্বীকার করা হয় না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ডেঙ্গুকে তাঁরা গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে দেখছেন। এ কারণে ৪ থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী জনসচেতনতামূলক সপ্তাহ পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুধু লিফলেট বিতরণ বা আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং বাস্তবভিত্তিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
জামায়াত আমিরের ভাষ্য, মশার বংশবিস্তার রোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা এবং আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার মতো পদক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে দলীয় উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক অংশগ্রহণও জরুরি।
ডেঙ্গুর টিকা আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করার আহ্বান
ডেঙ্গু প্রতিরোধে টিকার প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ রোগের টিকা আন্তর্জাতিক বাজারে রয়েছে। সরকারের পক্ষে সরাসরি টিকা আমদানির ব্যবস্থা করা সম্ভব না হলে বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমদানি ও সরবরাহের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তাঁর মতে, ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলায় মানুষের হাতে প্রতিরোধের আরও উপায় থাকা প্রয়োজন। সরকার নিজে টিকা না আনলে বেসরকারি উদ্যোগের পথও বন্ধ রাখা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তবে ডেঙ্গুর টিকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বয়স, পূর্ববর্তী সংক্রমণ, স্বাস্থ্যগত অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট টিকার অনুমোদিত ব্যবহারের শর্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই টিকা আমদানি ও প্রয়োগের বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মূল্যায়ন এবং প্রযোজ্য নীতিমালা অনুসরণ করা প্রয়োজন।
আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা যেন কোনো হাসপাতাল বা চিকিৎসাকেন্দ্রে অবহেলার শিকার না হন, সে বিষয়ে সরকারকে নজর দিতে হবে। রোগীদের দ্রুত শনাক্তকরণ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে তাঁরা সাধুবাদ জানাবেন। কিন্তু জনস্বাস্থ্য ও নাগরিক নিরাপত্তার বিষয়ে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা দেখা গেলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা মোকাবিলা করা হবে।
জামায়াত আমিরের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। স্থানীয় সরকার, সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ নাগরিকদেরও পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে স্থানীয় উদ্যোগের প্রশংসা
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হিসেবে জামায়াতের পক্ষ থেকে যাঁকে জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে, তিনি ইতোমধ্যে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছেন।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বিভিন্ন খাল, বদ্ধ নালা এবং মশার প্রজননস্থল পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব স্থানে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে যেসব সামাজিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রয়োজন, সেগুলো বাস্তবায়ন করা উচিত। একই সঙ্গে আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসাসেবায় অবহেলার অভিযোগ থাকলে তার প্রতিকার করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহির আহ্বান
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে জামায়াত আমির রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি, জননিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, জনগণের সমস্যা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি বাস্তবসম্মত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়াও জরুরি।
তিনি বলেন, দেশ সবার এবং বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীরও দায়িত্ব রয়েছে। জনস্বাস্থ্য, আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক অধিকারসংক্রান্ত সমস্যাগুলো সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি জনগণের পাশে দাঁড়ানো তাঁদের কর্তব্য।
সব মিলিয়ে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহব্যাপী জনসচেতনতা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নিয়ে একাধিক বক্তব্য দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ, আক্রান্তদের সুচিকিৎসা, টিকা আমদানির সুযোগ এবং অপরাধের অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

