শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিমানের বহরে বড় সম্প্রসারণ: বোয়িংয়ের আরও ১১ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি

৫টি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার ও ৬টি ৭৩৭-৮ কিনছে বিমান • চলতি বছরে বোয়িংয়ের কাছে মোট অর্ডার ২৫টি • বহর আধুনিকায়নের পাশাপাশি নতুন আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের পরিকল্পনা

নিউইয়র্ক, ২৩ সেপ্টেম্বর: জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে। নতুন অর্ডারে রয়েছে পাঁচটি Boeing 787-10 Dreamliner এবং ছয়টি Boeing 737-8।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে নিউইয়র্কে চুক্তিটি সম্পন্ন হয়। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন প্রথমে চুক্তির বিস্তারিত তুলে ধরেন। পরে বোয়িংও আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ১১টি উড়োজাহাজের অর্ডার নিশ্চিত করে।

নতুন এই ক্রয় চলতি বছরে বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের দ্বিতীয় বড় উড়োজাহাজ অর্ডার। এর আগে ১৪টি 787 Dreamliner ও 737 MAX উড়োজাহাজের জন্য বিমান অর্ডার দিয়েছিল। নতুন ১১টি যুক্ত হওয়ায় এ বছর বোয়িংয়ের কাছে বিমানের মোট অর্ডার দাঁড়াল ২৫টি উড়োজাহাজে।

১১ বিমানের মধ্যে কোনটি কতটি

বোয়িংয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন অর্ডারের ১১টি উড়োজাহাজের মধ্যে পাঁচটি 787-10 Dreamliner এবং ছয়টি 737-8।

দুই ধরনের উড়োজাহাজ বিমানের নেটওয়ার্কে ভিন্ন ধরনের চাহিদা পূরণ করবে। 737-8 মূলত সিঙ্গেল-আইল উড়োজাহাজ; আগের প্রজন্মের 737-এর তুলনায় এর পাল্লা বেশি। ফলে আঞ্চলিক ও মধ্যম দূরত্বের রুটে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে এটি কাজে লাগানো যাবে।

অন্যদিকে 787-10 একটি বৃহৎ ওয়াইডবডি উড়োজাহাজ। বিমানের বহরে থাকা 787-8 ও 787-9-এর সঙ্গে এটি যুক্ত হলে বেশি যাত্রী ধারণক্ষমতার প্রয়োজন রয়েছে এমন আন্তর্জাতিক রুটে সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

বোয়িংয়ের দাবি, 787 Dreamliner ও 737 MAX পরিবার যেসব পুরোনো প্রজন্মের উড়োজাহাজ প্রতিস্থাপন করে, সেগুলোর তুলনায় প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেশি জ্বালানি সাশ্রয়ী।

জাতিসংঘ অধিবেশনের সাইডলাইনে চুক্তি

চুক্তি স্বাক্ষর উপলক্ষে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর, ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটির চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লান্ডাউ।

মাহদী আমিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দেশের বিমান পরিবহন খাতের সম্প্রসারণ, ক্রমবর্ধমান যাত্রীচাহিদা এবং নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালুর পরিকল্পনার কারণেই অতিরিক্ত উড়োজাহাজ প্রয়োজন হচ্ছে।

বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকলেও উড়োজাহাজ সংগ্রহের ক্ষেত্রে দেশের প্রয়োজনকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী এয়ারবাসের সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর বোয়িংয়ের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে বলেও জানান মাহদী আমিন।

‘বৃহত্তর পরিকল্পনার একটি অংশ’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন নতুন অর্ডারকে বিমানের চলমান বহর নবায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বোয়িংয়ের প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিমানের বহর পরিকল্পনায় নির্দিষ্ট প্রয়োজনের ভিত্তিতেই নতুন উড়োজাহাজের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। বোয়িংয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা এবং উড়োজাহাজ সরবরাহ ও সহায়তা ব্যবস্থার ওপর আস্থা এ সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে।

জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশের জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যোগাযোগের প্রয়োজন মেটাতে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

তাঁর মতে, নতুন ১১ উড়োজাহাজের চুক্তিটি বিচ্ছিন্ন কোনো সিদ্ধান্ত নয়; আগামী বছরগুলোতে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ শক্তিশালী করার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।

বোয়িং বলছে, সক্ষমতা বাড়বে বিমানের

বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন বলেছেন, পরবর্তী এই অর্ডার বিমানের বহর নবায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা।

বোয়িংয়ের মতে, অতিরিক্ত Dreamliner ও 737 MAX বিমানের কার্যক্রমে দক্ষতা, বহুমুখী ব্যবহার এবং সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণেও এগুলো ভূমিকা রাখবে।

আগে থেকেই বোয়িংনির্ভর বহর

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বর্তমান বহরে ইতোমধ্যে বোয়িংয়ের 787, 777 এবং 737 Next-Generation সিরিজের উড়োজাহাজ রয়েছে।

এসব উড়োজাহাজ দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে বিমান।

ফলে নতুন 737-8 এবং 787-10 বহরে যুক্ত হলে পাইলট প্রশিক্ষণ, প্রকৌশল, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন ব্যবস্থার কিছু ক্ষেত্রে বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে সামঞ্জস্যের সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। বোয়িংও নতুন অর্ডারের ক্ষেত্রে এই ‘fleet commonality’-কে অন্যতম সুবিধা হিসেবে তুলে ধরেছে।

নতুন রুট সম্প্রসারণের পরিকল্পনা

মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের এভিয়েশন খাত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং নতুন নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে ভবিষ্যৎ যাত্রীচাহিদা মেটাতে বিমানের বহরও বাড়ানো প্রয়োজন।

নতুন অর্ডারে একই সঙ্গে ছোট ও বড় উড়োজাহাজ থাকায় বিমান আঞ্চলিক ও দীর্ঘপাল্লার দুই ধরনের রুটেই সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ পাবে।

737-8 দিয়ে স্বল্প ও মধ্যম দূরত্বের রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ বাড়বে। অন্যদিকে বেশি যাত্রী ধারণক্ষমতার 787-10 দীর্ঘপাল্লার ব্যস্ত রুটে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

এয়ারবাসের দরজাও খোলা

বোয়িংয়ের সঙ্গে বড় অর্ডার হলেও বাংলাদেশ শুধু একটি নির্মাতার মধ্যেই ভবিষ্যৎ উড়োজাহাজ সংগ্রহ সীমাবদ্ধ রাখছে না বলে জানিয়েছেন মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, বিমান দেশের চাহিদার ভিত্তিতেই উড়োজাহাজ কিনবে। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা এয়ারবাসের সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে।

ফলে নতুন বোয়িং অর্ডারকে বিমানের সামগ্রিক বহর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে স্বাস্থ্য ও কৃষি নিয়ে আলোচনা

সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের দ্বিতীয় দিনের বিভিন্ন কর্মসূচির বিস্তারিতও তুলে ধরেন।

তিনি জানান, গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে বৈঠকে স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে সহযোগিতা বাড়ানো, কৃষকদের কাছে প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া, কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি খাতে প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিয়েও সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ উদ্যোগে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান আয়োজনের কথাও জানান মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মিয়ানমারে পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নের ঘটনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে আসায় বাংলাদেশের ওপর আর্থিক ও সামাজিক চাপ বাড়ছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীন ও ভারতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয়—উভয় পর্যায়েই সংশ্লিষ্ট দেশ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।

চীনকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে বেইজিংয়ের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে মিয়ানমারসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রাখার নীতি অনুসরণ করছে ঢাকা।

কূটনৈতিক সমাধানের ক্ষেত্রে সব বিকল্প ও আলোচনার পথ খোলা রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

ক্রোয়েশিয়া ও ইরানের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক

জাতিসংঘ সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন বলে জানান মাহদী আমিন।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অভিবাসন এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়।

ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশ সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। প্রয়োজন হলে বন্ধুত্বপূর্ণ ও নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে সংলাপের সুযোগ তৈরিতে বাংলাদেশ ভূমিকা রাখতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং বিপুলসংখ্যক প্রবাসী রয়েছেন। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ওপর প্রভাব পড়ার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে তিনি জানান।

জলবায়ু অর্থায়নে বাংলাদেশের অবস্থান

প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন কর্মসূচিতে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জন্য পর্যাপ্ত ও সহজলভ্য জলবায়ু অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

মাহদী আমিন জানান, নদী ও খাল খনন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ, নবায়নযোগ্য ও সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনের প্রসারের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমাতে বাংলাদেশের পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

চার দিনের জাতিসংঘ সফরের আরও গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি সামনে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।

মাহদী আমিন জানান, ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর, শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা নিউইয়র্কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনের মধ্যেই বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন ১১ উড়োজাহাজের চুক্তি বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন খাত সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। বিশেষ করে একই বছরে বোয়িংয়ের কাছে মোট ২৫টি নতুন উড়োজাহাজের অর্ডার বিমানের বহর নবায়ন ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার পরিসরকে আরও বড় করল।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন