অনুসরণ করুন:
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬

জ্বালানি সংকট মোকাবিলা সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ: বাণিজ্যমন্ত্রী

পাট, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের জ্বালানি খাতে বিদ্যমান সংকট মোকাবিলা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং এর স্থায়ী সমাধানে সরকার কাজ করছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভা ও শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানিকৃত গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে কিছুটা সময় প্রয়োজন হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চলমান সংস্কার কার্যক্রমের সময় সাময়িক কিছু অসুবিধা দেখা দিলেও বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে ধৈর্য ধারণ করা প্রয়োজন।

তরুণদের ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, দেশের উন্নয়ন একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। নতুন বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের শক্তিকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এই শক্তিকে সামাজিক উন্নয়নের চালিকাশক্তি হিসেবে ধরে রাখতে চায়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন প্রতিনিধি। তারা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যথাযথ মূল্যায়ন ও সেবাপ্রাপ্তির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর দ্রুত অগ্রগতির দাবি জানান।

এ সময় শহীদ পরিবারের সদস্যরাও তাঁদের অনুভূতি তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, যিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের অবদান যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত।

সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ১৪টি শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন