অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের তিন ধাপের কৌশল তুলে ধরলেন ড. তিতুমির
- নিজস্ব প্রতিবেদক
- ১৩ ঘণ্টা আগে
দেশের অর্থনীতিকে চলমান সংকট থেকে বের করে স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনা, উৎপাদন-বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে গতি সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদে দ্রুত ও টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরিতে তিন ধাপের অর্থনৈতিক কৌশল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাঁচ বছর মেয়াদি সংস্কার ও উন্নয়ন কাঠামোর আওতায় প্রস্তাবিত এই কৌশলের তিনটি পর্যায় হচ্ছে—‘রিকভারি’ বা পুনরুদ্ধার, ‘রেস্টোরেশন’ বা পুনঃস্থাপন এবং ‘রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসিলারেশন’ বা দ্রুত প্রবৃদ্ধির জন্য পুনর্গঠন।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার এই রূপরেখা তুলে ধরেছেন।
তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তিনটি পর্যায় পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও আস্থা ফেরানো, দ্বিতীয় পর্যায়ে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং তৃতীয় পর্যায়ে দ্রুত অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের উপযোগী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
প্রথম ধাপ: সংকট সামলে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফেরানো
‘রিকভারি’ পর্যায়ে সরকারের প্রধান লক্ষ্য অর্থনীতির হারানো অবস্থান পুনরুদ্ধার এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা।
তিতুমীরের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বিভিন্ন অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা করাই এ পর্যায়ের তাৎক্ষণিক কাজ। ঋণের চাপ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত দুর্বলতা, তারল্যসংকট, উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের নিম্নগতি এবং অর্থনীতির ওপর বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলোকে এ পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজস্ব ও মুদ্রানীতির মধ্যে কার্যকর সমন্বয়, রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানো এবং সামষ্টিক অর্থনীতির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
রাজস্ব আদায়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত রাজস্ব আয় ১২ শতাংশ বেড়েছে। আগের বছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২ শতাংশ। সরকারের দৃষ্টিতে এ পরিবর্তন রাজস্ব খাতে ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত।
তবে রাজস্ব বাড়াতে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টির পরিবর্তে করের আওতা সম্প্রসারণ এবং কর ফাঁকি বন্ধ করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি জানান।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উন্নতি, টাকার বিনিময়মূল্যের শক্তিশালী অবস্থান, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং সুদের হার কমে আসার প্রবণতাকেও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের ইতিবাচক সূচক হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিতুমীর।
দ্বিতীয় ধাপ: উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে গতি
সরকারের কৌশলের দ্বিতীয় পর্যায় ‘রেস্টোরেশন’। এই ধাপে শুধু অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখাই নয়, অর্থনীতিকে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ধারায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ পর্যায়ে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ও নিয়ন্ত্রণ কমানোর পাশাপাশি প্রস্তাবিত ‘ট্রেস অ্যান্ড ট্র্যাক’ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ ও কার্যকর করার উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন তিতুমীর।
ভৌগোলিক অবস্থানকে অর্থনৈতিক সুবিধায় রূপান্তরের পরিকল্পনাও সরকারের কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যবর্তী অবস্থান কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের একটি প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।
তিতুমীরের ভাষ্য অনুযায়ী, উত্তর আমেরিকা, পশ্চিম ইউরোপ, উপসাগরীয় অঞ্চল এবং পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন উৎস থেকে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে ঘিরে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে।
ঋণ ও আমদানিনির্ভর প্রকল্পের বদলে উৎপাদনমুখী বিনিয়োগে জোর
নতুন অর্থনৈতিক কৌশলে সব ধরনের বিনিয়োগকে একইভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে না। যেসব বিনিয়োগ দেশের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াবে, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং রপ্তানি সক্ষমতা শক্তিশালী করবে, সেগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে অতিরিক্ত ঋণনির্ভর এবং আমদানিনির্ভর প্রকল্পের ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা।
অগ্রাধিকার খাত হিসেবে কৃষি ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ইলেকট্রনিকস, ওষুধশিল্প, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে একদিকে দেশীয় উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং অন্যদিকে কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ের নতুন সুযোগ তৈরির চেষ্টা করা হবে।
প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামাজিক উন্নয়ন
‘রেস্টোরেশন’ পর্যায়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফলের সঙ্গে সামাজিক উন্নয়নের সংযোগ তৈরি করা।
এ জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির পরিধি বাড়ানো, প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার এবং স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ সরকারের পরিকল্পনায় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি এর সুফল সমাজের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।
তৃতীয় ধাপ: দ্রুত প্রবৃদ্ধির জন্য প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন
তিন ধাপের শেষ পর্যায় ‘রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসিলারেশন’। এ পর্যায়ে অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি ও দ্রুত সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও পুনর্গঠন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিতুমীর মনে করেন, প্রথম দুই পর্যায়ে অর্জিত অর্থনৈতিক অগ্রগতি দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর প্রয়োজনীয় পরিবর্তন অপরিহার্য।
অর্থাৎ সাময়িকভাবে অর্থনৈতিক সূচকের উন্নতি ঘটানোই সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। বরং এমন প্রতিষ্ঠান ও নীতিকাঠামো তৈরি করা হবে, যাতে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধি দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখা যায়।
জ্বালানি খাতেও বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা
অর্থনীতির পুনর্গঠন পরিকল্পনায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সরকারের কৌশল অনুযায়ী, প্রথমে জ্বালানি খাতের তাৎক্ষণিক সংকট ও অস্থিতিশীলতা মোকাবিলা করা হবে। পরবর্তী পর্যায়ে অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি উৎপাদন ও সরবরাহ সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদে সৌরবিদ্যুৎ এবং নেট মিটারিং ব্যবস্থার সম্প্রসারণের মাধ্যমে পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে শুধু বিদ্যুতের গ্রাহক হিসেবে না রেখে উৎপাদক হিসেবেও যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
তিতুমীরের মতে, ভবিষ্যতের জ্বালানি ব্যবস্থায় একজন নাগরিক একই সঙ্গে বিদ্যুতের ভোক্তা ও উৎপাদক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
অতীতের অর্থনৈতিক রূপান্তর থেকে শিক্ষা
বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের অতীতের সফল অর্থনৈতিক রূপান্তরের অভিজ্ঞতাও কাজে লাগাতে চায় সরকার।
তিতুমীর উল্লেখ করেন, সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ের পর বিদেশে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং এর ধারাবাহিকতায় প্রবাসী আয় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছিল।
পরবর্তী সময়ে নারীদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তৈরি পোশাকশিল্পের বিকাশ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন আনে। তার মতে, এসব অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে যে যথাযথ নীতি ও কৌশল গ্রহণ করা গেলে অর্থনীতির বিদ্যমান দুর্বলতাকেও নতুন শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।
বর্তমান পরিকল্পনাতেও বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক শক্তি ও সম্ভাবনার ক্ষেত্রগুলো শনাক্ত করে বাস্তবভিত্তিক নীতির মাধ্যমে সেগুলো কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রথম ১৮০ দিন পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ার সূচনা
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বৃহত্তর পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য কেবল তাৎক্ষণিক সংকট সামাল দেওয়া নয়; বরং বাংলাদেশকে সংকট ব্যবস্থাপনার অবস্থা থেকে বের করে একটি স্থিতিশীল, উৎপাদনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতিতে রূপান্তর করা।
সেই লক্ষ্যেই ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন এবং রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসিলারেশন’—এই তিন পর্যায়ের কৌশল সাজানো হয়েছে। প্রথমে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, এরপর উৎপাদন ও বিনিয়োগের গতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং শেষ পর্যায়ে দ্রুত প্রবৃদ্ধির উপযোগী প্রতিষ্ঠান ও অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলাই এই পরিকল্পনার মূল ভিত্তি।
সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের সাক্ষাৎকার।
এই বিভাগের আরও খবর
২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে বাংলাদেশের পাশে থাকবে এডিবি
উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে কাঠামোগত সংস্কার ও…
ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ
দৈনিক এক কোটি ডিজিটাল লেনদেনের লক্ষ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের…
এক বছরে সারের আমদানি ১৪% বাড়লেও ব্যয় বেড়েছে ৪৯%, গ্যাস সংকটে বাড়ছে আমদানিনির্ভরতা
আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অস্থিরতা এবং…
সরকার-ব্যবসায়ীর সমন্বিত উদ্যোগে ৪-৫ বছরে অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা প্রধানমন্ত্রীর
সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ এবং…
এমএফএসে ব্যাংক কার্ড থেকে ‘অ্যাড মানি’ নির্দেশনা বাস্তবায়নের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যক্তিগত মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্টে ব্যাংক কার্ড…
সর্বশেষ খবর
1.
3.
5.
জনপ্রিয় বিভাগ সমূহ
আরও পড়ুন
আইফোনের কিস্তি নিয়ে বিরোধ, পাহাড় থেকে পড়ে বাবা-মা ও ছেলের মৃত্যু
আইফোনের মাসিক কিস্তির টাকা নিয়ে পরিবারের মধ্যে বিরোধের পর মর্মান্তিক ঘটনায় একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে ভারতের মহারাষ্ট্রে। ১৮…
পেশাগত দক্ষতা-সততার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
পদোন্নতির জন্য রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে থেকে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য…
অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণের সুযোগ থাকবে না: গণপূর্তমন্ত্রী
অনুমোদিত নকশা ও প্রচলিত আইন-বিধি লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণের সুযোগ আর দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া…
গ্যাসের চাপ আবার বেড়েছে, লোডশেডিং অনেক কমে গেছে: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের যে চাপ কমে গিয়েছিল, তা আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। মহেশখালীর…
মাসখানেকের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার নতুন নীতিমালা হবে: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে মাসখানেকের মধ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও…
নিত্যপণ্যের চড়া দামে চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত
নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফিরছে না। ডিম, ব্রয়লার মুরগি, মাছ ও বিভিন্ন সবজির দাম চড়া থাকায় দৈনন্দিন বাজারের খরচ সামলাতে হিমশিম…
দূতাবাসে ই-মেইলে হুমকি , সরকারকে বিব্রত করতে এটি করা হয়েছে : ডিবি
ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন দূতাবাস , সরকারি দপ্তরে ই-মেইল পাঠিয়ে চাঁদা দাবির ঘটনাটিকে একটি ‘ভুয়া গ্রুপের কাজ’ বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর…
ঢামেক হাসপাতালে দালাল সন্দেহে একজন আটক, চিকিৎসা সামগ্রী উদ্ধার
ঢাকা, ২৩ আগস্ট ২০২৬: ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে রোগীদের প্রলোভন দেখিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া এবং অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষা…

