অনুসরণ করুন:
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষে ঢাবি

শিয়ায় ১৩৬তম ও দক্ষিণ এশিয়ায় ১৬তম অবস্থানে ঢাবি; শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে আরও জোর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন উপাচার্য।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংস: এশিয়া ২০২৭’-এ বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। এবারের তালিকায় এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৩৬তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ১৬তম অবস্থানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

গত ৩ নভেম্বর প্রকাশিত এ র‌্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার ২৬টি দেশের ১ হাজার ৭২২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে হংকং বিশ্ববিদ্যালয় এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ঢাবির অবস্থান সম্মিলিত প্রচেষ্টার স্বীকৃতি: উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অবস্থান আনন্দ ও গর্বের বিষয়। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ধারাবাহিকভাবে শীর্ষস্থান ধরে রাখা শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার স্বীকৃতি।

তিনি বলেন, শুধু র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান ধরে রাখাই বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য নয়। শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে কাজ চলছে।

শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে অগ্রাধিকার

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ করা, গবেষণার সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক মানের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা অন্যতম অগ্রাধিকার।

এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী (অ্যালামনাই) ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

যেসব সূচকে নির্ধারিত হয় র‌্যাঙ্কিং

কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে একাডেমিক সুনাম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, গবেষণার মান ও প্রভাব, পিএইচডিধারী শিক্ষকের সংখ্যা, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংখ্যা।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন