রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গাপূজায় তিন স্তরের নিরাপত্তা খুলনায়, নজরদারিতে ৫ হাজারের বেশি মণ্ডপ

টহল জোরদার, অস্থায়ী চেকপোস্ট ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও মনিটরিং করছে এসআরবি-৬

শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে খুলনা জেলা ও মহানগরীসহ দায়িত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর পূজামণ্ডপে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-৬ (এসআরবি-৬)। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে টহল জোরদার, অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং করা হচ্ছে।

শনিবার বেলা ১১টায় খুলনার ধর্মসভা মন্দিরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-৬-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ।

১৩ অক্টোবর থেকে বিশেষ টহল

লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ জানান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন নিশ্চিত করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। এসআরবি ফোর্সেস সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৩ অক্টোবর থেকে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, এসআরবি-৬-এর দায়িত্বপূর্ণ আটটি জেলায় মোট ৫ হাজার ৩৫৪টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। এসব মণ্ডপের নিরাপত্তা কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য জেলাভিত্তিক ও উপজেলাভিত্তিকভাবে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় একজন করে ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হয়েছে। তাঁরা টহল দল নিয়ে নিজ নিজ এলাকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছেন।

তিন স্তরে নিরাপত্তাব্যবস্থা

নিরাপত্তাব্যবস্থার বিস্তারিত তুলে ধরে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক জানান, প্রথম স্তরে টহল দল নিয়মিত পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছে। দ্বিতীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

তৃতীয় স্তরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতির পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্ভাব্য উসকানিমূলক বা নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এসআরবি-৬-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন