শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এক ট্রলারে ধরা পড়ল ৬০ মণ ইলিশ, বিক্রি ২০ লাখ টাকায়

নোয়াখালীর হাতিয়ার বঙ্গোপসাগরে একটি মাছ ধরার ট্রলারে প্রায় ৬০ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে। সাগরে টানা ছয় দিন মাছ ধরার পর বিপুল পরিমাণ ইলিশ নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে ফেরেন জেলেরা।

পরে মাছগুলো চেয়ারম্যান ঘাটের সাইফুল মৎস্য আড়তে নেওয়া হলে দুপুর পর্যন্ত তিন ধাপে নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। নিলামে ব্যবসায়ীদের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রায় ২০ লাখ টাকায় মাছগুলো বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, হাতিয়ার জেলে আব্দুর রহিম মাঝির নেতৃত্বে ১৮ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে একটি মাছ ধরার ট্রলার বঙ্গোপসাগরে যায়। সাগরে টানা ছয় দিন অবস্থানের পর বৃহস্পতিবার সকালে ট্রলারটি বিপুল পরিমাণ ইলিশ নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে ফিরে আসে।

ট্রলার থেকে মাছ নামানোর পর সাইফুল মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। নিলামে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অংশ নেন এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মাছ কিনে নেন। একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় জেলে, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আনন্দ-উৎসাহ দেখা যায়।

স্থানীয় জেলেরা জানান, এক ট্রলারে এত বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় তারা উৎসাহিত হয়েছেন। সাগরে ইলিশের প্রাচুর্য অব্যাহত থাকলে জেলেদের আয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় মাছের বাজারেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন তারা।

নোয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, সাগরে ইলিশের প্রাপ্যতা ভালো থাকায় জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন। তবে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে জাটকা সংরক্ষণ এবং নিষেধাজ্ঞার সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা জরুরি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাগরে ইলিশের এমন প্রাচুর্য জেলেদের জন্য আশাব্যঞ্জক। মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে সরকারি বিধিনিষেধ মেনে চলা গেলে ভবিষ্যতে ইলিশের সরবরাহ আরও বাড়তে পারে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন