পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষা করে আধুনিক কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ সহযোগিতা চান পার্বত্য মন্ত্রী। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সার্বিক উন্নয়ন এবং দুই মন্ত্রণালয়ের পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামের কৃষি সম্ভাবনা ও উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরে সাচিং প্রু বলেন, পার্বত্য এলাকার দুর্গম অঞ্চলগুলোতে ক্ষতিকর তামাক ও নেশাজাতীয় উদ্ভিদের চাষ পুরোপুরি বন্ধ করা তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে সমতলের কৃষকদের মতো পার্বত্য অঞ্চলের কৃষকদেরও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, কৃষি বিপ্লবের এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে কৃষিতে উৎপাদন বাড়ানোর এখনই উপযুক্ত সময়। দেশের নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে পার্বত্য চট্টগ্রামে কফি, কাজুবাদাম, হলুদ, ইক্ষু ও বাঁশের চাষ সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। এসব কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়ানো গেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ পার্বত্য মন্ত্রীর উদ্যোগ ও প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, পাহাড়ি ও সমতল—উভয় অঞ্চলের কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়ন এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে কৃষি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে।
সৌজন্য সাক্ষাতে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও জোরদারের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের কৃষি সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

