অনুসরণ করুন:
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন দাম কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ

ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৩.৫০ ডলার, চলতি সপ্তাহে দরপতন প্রায় ২০ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, নির্বাচনের ফল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানের সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। এতে জ্বালানি তেলের বাজারে দাম আরও কমতে পারে। খবর রয়টার্সের।

২০২০ সালের পর বড় সাপ্তাহিক দরপতনের আশঙ্কা

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ৫০ ডলারে নেমেছে। চলতি সপ্তাহে এখন পর্যন্ত তেলের দাম কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ।

শুক্রবার পর্যন্ত এই দরপতন অব্যাহত থাকলে ২০২০ সালের এপ্রিলের পর তেলের দামে এটিই হবে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতন।

যুদ্ধ অবসানের সম্ভাবনায় কমছে তেলের দাম

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ফলে দেশটির সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে। সংঘাতের অবসান হলে জ্বালানি সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তেলের দাম কমার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রভাব

তেলের দাম কমার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ। ইউরোপের শেয়ারবাজারও দুই মাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে।

এশিয়ায় প্রযুক্তি খাতের শেয়ারে দরপতন

অন্যদিকে, এশিয়ার বাজারে চিপ ও ডেটা সেন্টার-সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ারের দামে বড় পতন হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচক কমেছে ৪ শতাংশ, তাইওয়ানের শেয়ারবাজার কমেছে ১ দশমিক ৮ শতাংশ এবং জাপানের নিক্কেই সূচক কমেছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, এ দরপতনের অর্থ এই নয় যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডেটা সেন্টার ও চিপের চাহিদা দীর্ঘ মেয়াদে কমে যাবে। তবে এসব খাতের সম্প্রসারণ সাময়িকভাবে ধীর হতে পারে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন