কাশিয়ানির ভাটিয়াপাড়া মোড়ে হাজারো মানুষের সমাগম; সাত দফা দাবি আদায়ে অনড় থাকার প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের
১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া অভিমুখী লংমার্চের অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে আয়োজিত এ পথসভায় লংমার্চের বহর পৌঁছালে হাজারো নারী-পুরুষ অংশ নিয়ে নেতাদের স্বাগত জানান।
এ সময় জনতার উদ্দেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। উপস্থিত মানুষের উচ্ছ্বাসের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি ১১ দলীয় ঐক্যের সাত দফা দাবি আদায়ে অনড় ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ায় সমাপনী সমাবেশ
কাশিয়ানির পথসভা শেষে লংমার্চের বহর খুলনার উদ্দেশে যাত্রা করে। সেখানে খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর এবং ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত পথসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এরপর বহরটি যশোরের মুড়লীর মোড় এবং ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালের পথসভায় যোগ দেবে। লংমার্চের শেষ কর্মসূচি হিসেবে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
লংমার্চের রুটের বিভিন্ন স্থানে গণজমায়েতের মধ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ অন্য নেতারা অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য দেবেন। এ ছাড়া সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে স্থানীয় সংগঠনগুলোর ১১ দলের নেতা-কর্মীরা লংমার্চের বহরকে অভিবাদন জানাবেন।
সকালেই শুরু হয় লংমার্চ
এর আগে সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুরের নাওডোবায় একটি পথসভায় অংশ নেয় লংমার্চের বহর। এরও আগে সকাল ৭টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, দাবি আদায়ের কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্য প্রথম লংমার্চ করে চট্টগ্রাম অভিমুখে। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয় রংপুর অভিমুখে।

