এ বছর ১১ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ; জিপিএ-৫ কমেছে ২৯ হাজারের বেশি।
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এ বছর মোট ৯ হাজার ৩৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন।
শনিবার সকাল ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার ফলাফলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
১১ বোর্ডে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে। মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
ফলাফলে দেখা যায়, উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেলেও ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এ বছর দেশের ৯ হাজার ৩৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নেন।
গত বছরের তুলনায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে
গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থী।
চলতি বছরের ফলাফলের সঙ্গে গত বছরের তুলনা করলে দেখা যায়, পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
গত বছরের তুলনায় এ বছর জিপিএ-৫ কম পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৩ জন পরীক্ষার্থী। ফলে পাসের হার ও সর্বোচ্চ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা—দুই ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

