সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

হামের উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ২২৭

এক দিনে উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ২৮০ জনের; হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ১৮৯ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০৪ জন। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২২৭।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে দুজন এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ মৃত্যু

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৫০২ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর সিলেট বিভাগে ২০০ জন, চট্টগ্রামে ১০৭, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮৮, বরিশালে ৬৫, খুলনায় ৫১ ও রংপুর বিভাগে ১৭ জন মারা গেছেন।

এক দিনে উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ২৮০ জনের

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ১ হাজার ২৮০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এ সময়ে ৭৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৮৯ জন। বিভাগভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে ৪৬৭ জন, চট্টগ্রামে ২১৯, সিলেটে ১২২, বরিশালে ১৩৫, খুলনায় ৭৫, ময়মনসিংহে ১০৫, রংপুরে ৩৬ ও রাজশাহীতে ৩০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

আক্রান্ত ও সুস্থতার হিসাব

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭০৩ জন। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৪ জন।

বুলেটিন অনুসারে, চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ২১ হাজার ১৬৪। তাঁদের মধ্যে ২৩ হাজার ৪০০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

হাম শনাক্তের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে সীমাবদ্ধতা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত রোগী এবং মৃত্যুর হিসাব রাখছে। তবে হাসপাতালে আসা সব রোগী কিংবা হাসপাতালের বাইরে থাকা সব রোগীর হাম পরীক্ষা করা হয় না। ফলে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা কঠিন।

অধিদপ্তরের হিসাবে, শুধু হাসপাতালে আসা ও ভর্তি হওয়া রোগীদের তথ্যই নথিভুক্ত করা হয়।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন