বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

প্রযুক্তি ধনকুবেরদের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ, এআইয়ের আগ্রাসনে বাড়ছে বৈশ্বিক উদ্বেগ

যুদ্ধক্ষেত্রের স্যাটেলাইট যোগাযোগ থেকে সংগীত ও পরিবেশ—প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতে মানবিকতা রক্ষার তাগিদ

ভূরাজনীতি থেকে সংস্কৃতি—বিশ্বজুড়ে বাড়ছে প্রযুক্তি ধনকুবেরদের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের প্রভাব। গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর ওপর বেসরকারি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ, সংগীত সৃষ্টিতে এআইয়ের ব্যবহার এবং ডেটা সেন্টারের পরিবেশগত ক্ষতি—সব মিলিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ইউক্রেনের যুদ্ধে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংকের ভূমিকা থেকে শুরু করে সংগীতের বাজারে এআইয়ের বিস্তার—বিভিন্ন ঘটনা দেখাচ্ছে, প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ করার পাশাপাশি ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণের নতুন প্রশ্নও সামনে আনছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এসব বিষয় তুলে ধরে বলা হয়েছে, প্রযুক্তির ওপর অল্প কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ বিশ্বকে নতুন ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

যুদ্ধক্ষেত্রে প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন

বিশ্বের বৃহত্তম স্যাটেলাইট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের ওপর ইলন মাস্কের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধে সামরিক যোগাযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্টারলিংক সেবায় বিধিনিষেধ আরোপের খবর সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী যোগাযোগ ও বিভিন্ন প্রতিরক্ষামূলক কার্যক্রমে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট সংযোগের ওপর নির্ভর করে। এ ছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের জন্য তৈরি বিশেষ সেবা স্টারশিল্ডও দেশটির সামরিক যোগাযোগব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন বিধিনিষেধের ফলে ঘণ্টায় ১৬১ কিলোমিটারের বেশি গতিতে চলা যান বা বস্তুর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ইউক্রেনের কিছু ড্রোন ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও এর আওতায় পড়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেবা সীমিত হওয়ার পর দেশটির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযান ব্যাহত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, এই সংযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে প্রাণহানি ঘটতে পারে। রাশিয়ার দ্রুতগতির ড্রোন প্রতিহত করার ক্ষেত্রেও স্টারলিংকের সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

তবে স্টারশিল্ডের সমস্যায় নিজের কোনো ভূমিকা থাকার কথা অস্বীকার করেছেন মাস্ক। এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘বিষয়টি স্পেসএক্সের নিয়ন্ত্রণে নেই।’

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবার গতি কমানোর নির্দেশ সরাসরি হোয়াইট হাউস থেকে এসেছিল। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, কে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তাঁর জানা নেই। তবে তিনি নিজে এ কাজ করেননি এবং তাঁর ধারণা, মাস্কও তা করেননি।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও বলেছেন, হোয়াইট হাউসের কেউ কাউকে ইন্টারনেট সেবা সংকুচিত করা বা গতি কমানোর নির্দেশ দেননি।

মাস্কের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন

মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে মাস্কের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে এ ঘটনায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মাস্ক ও স্পেসএক্সকে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে দেখা কঠিন।

এক বছর আগের রাজনৈতিক বিরোধ কাটিয়ে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে মাস্কের সম্পর্ক আবারও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানেও তাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের পাশে দেখা গেছে। পাশাপাশি পেন্টাগনের ভবিষ্যৎ যুদ্ধসংক্রান্ত একটি উচ্চপর্যায়ের কমিশনে জায়গা পেয়েছেন তিনি এবং রক্ষণশীল রিপাবলিকান প্রার্থীদের পেছনে বিপুল অর্থ অনুদান দিয়েছেন।

তবে ইউক্রেন যুদ্ধে স্টারলিংক সেবা সীমিত করার ঘটনা নতুন নয়। ২০২২ সালে ইউক্রেনীয় বাহিনীর খেরসন ও দোনেৎস্ক অঞ্চলে পাল্টা আক্রমণের সময় স্টারলিংক সেবা স্থগিত করেছিল স্পেসএক্স। একই বছর ক্রিমিয়ায় ইন্টারনেট সংযোগ বাড়ানোর জন্য ইউক্রেনের আবেদনও প্রত্যাখ্যান করেছিলেন মাস্ক।

এসব ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন সামনে এনেছে: কোনো বেসরকারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মালিকের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত কি দুটি দেশের যুদ্ধের গতিপথে প্রভাব ফেলতে পারে? কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ অবকাঠামো যখন অল্প কয়েকটি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে থাকে, তখন রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তের মধ্যে সংঘাত তৈরি হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে।

সংগীতে এআই, শিল্পীদের দ্বিধা

প্রযুক্তির প্রভাব শুধু যুদ্ধক্ষেত্র বা ভূরাজনীতিতে সীমাবদ্ধ নয়। সংগীতজগতেও এআইয়ের ব্যবহার নিয়ে শিল্পী ও শ্রোতাদের মধ্যে বিতর্ক চলছে। অনেক শিল্পী প্রযুক্তিটির সম্ভাবনা স্বীকার করলেও গান তৈরিতে মানুষের সৃজনশীলতার গুরুত্ব ধরে রাখার পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন।

র‍্যাপার এএসএপি রকি এবং সংগীতশিল্পী গ্রাইমস এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন। এএসএপি রকি বলেন, তিনি নিজ হাতে গান তৈরি করতেই বেশি পছন্দ করেন। কেউ সম্পূর্ণ এআইনির্ভর গান তৈরি করলে সেটি তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত; তবে তিনি প্রচলিত পদ্ধতিতেই নিজের গান তৈরি করতে চান।

দীর্ঘ ছয় বছর পর নিজের নতুন অ্যালবাম ‘সাই অপেরা’র প্রচারে নেমেছেন গ্রাইমস। অ্যালবামটিকে সংগীতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম স্টেরিওগাম ‘এআই অনুপ্রাণিত হলেও এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি নয়’ বলে বর্ণনা করেছে। অ্যালবামে কাজ করা ৭০ সদস্যের দলের সৃজনশীলতার স্বীকৃতি দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন গ্রাইমস।

তিন বছর আগেই নিজের কণ্ঠস্বর উন্মুক্ত লাইসেন্সের আওতায় এআই নিয়ে কাজ করতে আগ্রহীদের ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নিজের অ্যালবাম তৈরিতে এআই ব্যবহার এড়িয়ে গেছেন। এতে বোঝা যায়, প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহী শিল্পীরাও সৃজনশীল কাজে মানুষের অবদান ও স্বীকৃতিকে আলাদা গুরুত্ব দিচ্ছেন।

শ্রোতারা কি ফিরছেন প্রচলিত সংগীতে?

এআই দিয়ে তৈরি গান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত জনপ্রিয়তা পেলেও দীর্ঘমেয়াদে সেগুলোর প্রভাব কতটা স্থায়ী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ‘বোম্বোক্ল্যাট ওয়াল্লাহি’ নামে এআইনির্মিত একটি গান সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইনে ব্যাপক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ মনে করেন, এ ধরনের কনটেন্ট সাময়িক কৌতূহল তৈরি করলেও সব সময় দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পারে না।

ইন্টারনেটে এআই দিয়ে তৈরি নিম্নমানের বা অতিরিক্ত পরিমাণে উৎপাদিত কনটেন্ট বোঝাতে ‘এআই স্লপ’ শব্দটি ব্যবহৃত হচ্ছে। সমালোচকদের মতে, সহজে বিপুল পরিমাণ কনটেন্ট তৈরি করা গেলেও তার সবকিছুতে মৌলিকতা, গভীরতা বা শিল্পমান থাকে না।

বিলবোর্ডের সাম্প্রতিক অ্যালবাম ও একক গানের তালিকায় প্রচলিত বাদ্যযন্ত্র ও কণ্ঠনির্ভর গানের উপস্থিতিকে এ প্রবণতার একটি ইঙ্গিত হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তালিকায় অলিভিয়া রদ্রিগো, এলা ল্যাংলি, অলিভিয়া ডিন, টেইলর সুইফট, নোয়া কাহান ও মরগান ওয়ালেনের গান রয়েছে।

একইভাবে একক গানের তালিকাতেও প্রচলিত সংগীতধারার গান স্থান পেয়েছে। ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত বিটলসের অ্যালবাম ‘রাবার সোল’ বিলবোর্ডের সাম্প্রতিক তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে আসার বিষয়টিও পুরোনো সংগীতের প্রতি শ্রোতাদের আগ্রহের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে চার্টে প্রচলিত সংগীতের উপস্থিতি একাই প্রমাণ করে না যে শ্রোতারা এআইনির্মিত গান প্রত্যাখ্যান করছেন। বরং সংগীতের বাজারে প্রযুক্তি, মানুষের সৃজনশীলতা ও শ্রোতাদের রুচির মধ্যে সম্পর্কটি যে জটিল, এসব ঘটনা তারই ইঙ্গিত দেয়।

‘আরও মানবিক’ হওয়ার আহ্বান

প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ ও এআইয়ের সামাজিক প্রভাব নিয়ে এসব উদ্বেগ উঠে এসেছে প্যারিসে আয়োজিত ‘হ্যাকিং বিগ টেক’ সম্মেলনেও। ফরাসি সংবাদমাধ্যম মিডিয়াপার্ট ও ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মেলনে সামরিক ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার এবং ডেটা সেন্টারের পরিবেশগত ক্ষতি মোকাবিলার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে লেখিকা নেওমি ক্লেইন অভিযোগ করেন, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এআইকে ‘সর্বজনীন অ্যাপ ও সত্য নির্ধারণের চাবিকাঠি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। তাঁর ভাষায়, ‘জ্ঞানকে একমুখী করা ও বুদ্ধিমত্তাকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোতে বেঁধে ফেলার এই মানসিকতা স্পষ্টতই একটি ফ্যাসিবাদী ধারণা।’

ক্লেইন আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সম্পদের ঘাটতি বাড়তে পারে এবং অর্থনীতিতে মানুষের ভূমিকা কমে যেতে পারে। এর ফলে মানুষের ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ বাড়ার ঝুঁকিও রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁর আহ্বান, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আমরা যন্ত্র নয়, আরও বেশি মানবিক হতে চাই।’

চিলিতে ‘হিউম্যান চ্যাটবট’

প্রযুক্তির বিকল্প হিসেবে মানুষের সৃজনশীলতা ও পারস্পরিক যোগাযোগকে সামনে আনার একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে চিলির একটি অঞ্চলে। সেখানে একের পর এক এআই ডেটা সেন্টার গড়ে ওঠার ফলে পানির সংকট তৈরি হওয়ার উদ্বেগের মধ্যে স্থানীয় পরিবেশকর্মী জার্মেন সালাজার ও তাঁর সম্প্রদায় চালু করেছেন ‘হিউম্যান চ্যাটবট’।

এ উদ্যোগে এআইয়ের বদলে মানুষই বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। ছোট শিশু থেকে প্রবীণদের নিয়ে গঠিত একটি দল অনলাইনে আসা প্রশ্নের জবাব হাতে লিখে দেয়। কেউ যোগব্যায়ামরত কুকুরের ছবি চাইলে দলের কেউ তা হাতে এঁকে দেন। কেউ ভালোবাসার সংজ্ঞা জানতে চাইলে উত্তর দেওয়া হয়, ‘অন্য কারও সুখ প্রত্যাশার আকাঙ্ক্ষাই হলো ভালোবাসা।’

উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্য, এআই চ্যাটবটের ওপর মানুষের নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি প্রযুক্তির পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা। উদ্যোগটি চালুর প্রথম দিনেই ২ হাজার ৩০০টি ছবির অনুরোধ, ১৩৫টি প্রেমের পরামর্শের আবেদন এবং জীবনের অর্থ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন জমা পড়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রযুক্তির ভবিষ্যতে মানুষের জায়গা কোথায়?

স্যাটেলাইট যোগাযোগের ওপর ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ, সংগীত সৃষ্টিতে এআইয়ের বিস্তার এবং ডেটা সেন্টারের পরিবেশগত প্রভাব—সব ক্ষেত্রেই একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসছে: প্রযুক্তি মানুষের সক্ষমতা বাড়াবে, নাকি মানুষের সিদ্ধান্ত, সৃজনশীলতা ও স্বাধীনতার ওপর নতুন নিয়ন্ত্রণ তৈরি করবে?

প্রযুক্তি উন্নয়নের সুফল অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও তথ্যব্যবস্থার ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ, স্বচ্ছতার অভাব এবং পরিবেশগত ব্যয়ের বিষয়গুলো উপেক্ষা করলে নতুন ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

‘হিউম্যান চ্যাটবট’-এর মতো উদ্যোগ মনে করিয়ে দেয়, সব সমস্যার সমাধান যন্ত্রের হাতে তুলে দেওয়া অপরিহার্য নয়। প্রযুক্তির ব্যবহার কীভাবে হবে, তার সিদ্ধান্তে মানুষের সৃজনশীলতা, পারস্পরিক যোগাযোগ, জবাবদিহি ও স্বাধীন চিন্তার জায়গা ধরে রাখাই হতে পারে প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের ঝুঁকি মোকাবিলার গুরুত্বপূর্ণ পথ।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন