মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের আপিল প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটরের ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায় ঘোষণার পর নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আর আপিল করার সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইনি বিধান অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আসামিকে আপিল করতে হয়। এই সময়ের মধ্যে কেউ আপিল না করলে পরবর্তী সময়ে তার আপিলের সুযোগ থাকে না।

তিনি বলেন, “আইন অনুযায়ী রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা আপিল করেননি, তারা পরবর্তীতে আর আপিল করার সুযোগ পাবেন না।”

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হবে

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি তৈরি হবে না বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের অভিযোগগুলোর বিষয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই করা হবে। অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণে গুরুত্ব

চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় রায় ঘোষণার পর আপিলের ক্ষেত্রে আইন নির্ধারিত সময়সীমা গুরুত্বপূর্ণ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল না হলে সংশ্লিষ্ট আসামির ক্ষেত্রে পরবর্তী আপিলের সুযোগ থাকে না।

একই সঙ্গে গুমের অভিযোগের ক্ষেত্রেও আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই ও পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং এ-সংক্রান্ত অভিযোগের আইনগত প্রক্রিয়া নিয়েও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন