গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২২ জনের, পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা ঢাকা ও সিলেট বিভাগের হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১৩৭ জন এবং নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছেন ১০৫ জন।
বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ হাজার ৩২২ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে ৯০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
ঢাকা বিভাগে উপসর্গজনিত মৃত্যু সবচেয়ে বেশি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৫০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সিলেটে ২০১ জন, চট্টগ্রামে ১০৯, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮৯, বরিশালে ৬৭, খুলনায় ৫৪ এবং রংপুরে ১৭ জন মারা গেছেন।
অন্যদিকে, হাম ও হামের উপসর্গ মিলিয়ে চলতি বছরে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৪২। এর মধ্যে উপসর্গজনিত মৃত্যুর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।
হাম শনাক্তের প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণে সীমাবদ্ধতা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগী এবং মৃত্যুর হিসাব সংরক্ষণ করছে। তবে এ পরিসংখ্যানের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
অধিদপ্তরের হিসাবে, হাসপাতালে আসা ও ভর্তি হওয়া রোগীদের তথ্যই নথিভুক্ত করা হয়। সব রোগীর হাম পরীক্ষা করা হয় না। একইভাবে, হাসপাতালের বাইরে থাকা সব রোগীও এ হিসাবের আওতায় আসেন না। ফলে দেশে হাম আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা কঠিন।

