শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে বাল্যবিয়ে, সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ অধিকারকর্মীর
বাল্যবিয়ে মেয়েদের শৈশব কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। অল্প বয়সে বিয়ের কারণে সংসারের দায়িত্ব নিতে গিয়ে অনেক মেয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয় বলে মনে করেন অধিকারকর্মী খুশী কবির।
হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বাল্যবিয়ে মানবাধিকারের লঙ্ঘন। এর মধ্য দিয়ে একটি মেয়েকে তার শৈশব ও কৈশোর থেকে বঞ্চিত করা হয়। পূর্ণবয়স্ক হওয়ার আগেই তাকে প্রাপ্তবয়স্কদের মতো দায়িত্ব নিতে হয়।
শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব
খুশী কবির বলেন, বাল্যবিয়ে মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। একই সঙ্গে এটি তাদের সামাজিক জীবন ও ব্যক্তিগত বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
বয়স অনুযায়ী বেড়ে ওঠা এবং নিজেদের সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ না পেলে মেয়েরা জীবনে যেসব অর্জন করতে পারত, সেসব সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হতে পারে। অল্প বয়সে সংসারের দায়িত্ব নিতে গিয়ে তাদের শিক্ষা, ব্যক্তিগত বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব
অধিকারকর্মী খুশী কবির মনে করেন, মেয়েদের নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার পাশাপাশি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মেয়েদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সচেতন করা জরুরি।
তাঁর মতে, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো এবং মেয়েদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। এতে তারা নিজেদের সম্ভাবনা বিকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাবে।

