পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু।
সোমবার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় পরিবেশ, প্রকৃতি, সমৃদ্ধ ইতিহাস, আবহমান ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে দুই মন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়।
সাচিং প্রু বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুভাষাভাষী ও মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ মানুষের স্বকীয় আচার-আচরণ, বর্ণিল পোশাক-পরিচ্ছদ, নিজস্ব রীতিনীতি ও লোকসংস্কৃতিকে এক সুতোয় গেঁথে বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভেদাভেদহীন সাম্য ও মৈত্রীর সমাজ গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক জাগরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সময় এখনই। সংস্কৃতি চর্চার আলো ছড়িয়ে দিয়ে পাহাড়ি ও বাঙালির আত্মিক দূরত্ব কমিয়ে সম্প্রীতির নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।
সাক্ষাতে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মও উপস্থিত ছিলেন। দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম আরও জোরদারের বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী আগামী ২৫ অক্টোবর বান্দরবানে আয়োজিত প্রবারণা পূর্ণিমা ও পিঠা উৎসবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।

