মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি

ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। কর্মসূচির আওতায় প্রতি শনিবার স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর পাশাপাশি এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করা হবে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণে আয়োজিত এক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও স্থানীয় পর্যায়ের কার্যক্রম আরও সমন্বিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কেবল মশকনিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করলে হবে না। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া বিশেষ কর্মসূচি টানা তিন মাস চলবে। প্রতি শনিবার দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

এতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য ও শিক্ষার্থীদের যুক্ত করার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

অভিযানের সময় বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনার ভেতরে-বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে এডিস মশার বংশবিস্তারের উপযোগী স্থান চিহ্নিত করে সেগুলো পরিষ্কার বা ধ্বংস করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জনসম্পৃক্ততায় গুরুত্ব

সভায় প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধকে শুধু সরকারি সংস্থা বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব হিসেবে না দেখে সামাজিকভাবে মোকাবিলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেন তিনি।

বিশেষ করে বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনায় জমে থাকা পানি এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল নিয়মিত শনাক্ত ও পরিষ্কার করার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিন মাসব্যাপী এ কর্মসূচির মাধ্যমে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে সামাজিক উদ্যোগে রূপ দেওয়ার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন