বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

আইএমএফের পূর্বাভাসে উদ্বেগ, সংস্কার ও সুশাসন না হলে নিম্ন প্রবৃদ্ধি-উচ্চ মূল্যস্ফীতির ফাঁদে পড়বে বাংলাদেশ

২০৩১ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ধীরগতির অর্থনীতির আশঙ্কা আইএমএফের; অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্যাংকিং খাত, জ্বালানি ও বিনিয়োগ পরিবেশে সংস্কার জরুরি

শাসনব্যবস্থায় সংস্কার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহসী এবং সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নিলে বাংলাদেশ নিম্ন প্রবৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সীমিত কর্মসংস্থানের দীর্ঘস্থায়ী ফাঁদে আটকে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদেরা। আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থাগুলোর সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে তাঁরা বলেছেন, দেশের দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতার সঙ্গে বৈশ্বিক সংকট যুক্ত হয়ে অর্থনীতির ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মঙ্গলবার প্রকাশিত সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ অনুযায়ী, ২০৩১ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ধীরগতির অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। সংস্থাটির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। পরের অর্থবছর, অর্থাৎ ২০২৭-২৮ সালে তা নেমে আসতে পারে ২ দশমিক ২ শতাংশে। এরপর ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২০৩০-৩১ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

আইএমএফের এই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গত আগস্টে প্রকাশিত পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামোর লক্ষ্যের সঙ্গে বড় ধরনের ব্যবধান তুলে ধরেছে। ওই কাঠামোয় ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির চাপ

প্রবৃদ্ধির মন্থরতার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাসও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। আইএমএফের প্রাক্কলন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ১০ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এটি ১৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায় হতে পারে এবং ছয় মাস আগে সংস্থাটির করা ৬ শতাংশের পূর্বাভাসের প্রায় দ্বিগুণ।

টানা চার বছর ধরে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ওপরে থাকায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা চাপে রয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। একই সময়ে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান প্রত্যাশিত গতিতে না বাড়লে মানুষের আয় ও জীবনমানের ওপর চাপ আরও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, আইএমএফ মূলত একটি ‘বেজলাইন’ বা মৌলিক পূর্বাভাস দিয়েছে। তাঁর মতে, ব্যাংকিং খাত, জ্বালানি এবং ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় সরকার প্রতিশ্রুত সংস্কার বাস্তবায়ন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হলে এই পূর্বাভাস বাস্তবে রূপ নিতে পারে।

দীর্ঘদিনের দুর্বলতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈশ্বিক সংকট

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুনের মতে, আইএমএফের অবনমিত পূর্বাভাস ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্থরতা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রতিফলন। সময়োপযোগী নীতির অভাব, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া এবং সুদের হারসংক্রান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ যুক্ত হয়ে অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে।

চলতি অর্থবছরের জন্য আইএমএফের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) পূর্বাভাসের চেয়েও কম। মাত্র এক সপ্তাহ আগে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছিল। অন্যদিকে, গত সেপ্টেম্বরে এডিবি ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল।

স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থার পূর্বাভাসে প্রবৃদ্ধির গতি কমে আসার চিত্র বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে সৃষ্ট সংকট দেশের বিদ্যমান কাঠামোগত দুর্বলতাগুলোকে আরও প্রকট করে তুলছে।

আইএমএফের ২০৩০-৩১ অর্থবছরের পূর্বাভাস সরকারের নিজস্ব লক্ষ্যের তুলনায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট কম। সরকারি কৌশলগত কাঠামোয় চলতি অর্থবছরে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং পরবর্তী বছরগুলোতে প্রতিবছর প্রবৃদ্ধির হার অর্ধ শতাংশ পয়েন্ট করে বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

দক্ষিণ এশিয়ায় পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা

আইএমএফের সারণি অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ এবং ২০৩০-৩১—উভয় অর্থবছরেই দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি অর্থনীতির মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তলানিতে থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

সংস্থাটির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত ভারত প্রতিবছর ৬ দশমিক ৮ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ভুটানের প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ, নেপালের ৫ দশমিক ০২ শতাংশ, পাকিস্তানের ৪ দশমিক ৫ শতাংশ, মালদ্বীপের ৪ দশমিক ০৩ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কার ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ হতে পারে। বিপরীতে, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ওই সময়ে ২ দশমিক ৯৭ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ।

এই ব্যবধান বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

ব্যাংকিং খাত ও বিনিয়োগে কাঠামোগত বাধা

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক দুর্বলতাকে আরও গভীর করছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির মতে, ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রভাবে আর্থিক খাতের সমস্যা, কম রাজস্ব আদায়, জ্বালানি খাতের অদক্ষতা এবং প্রতিকূল বিনিয়োগ পরিবেশের চাপ বেড়েছে। এসব কারণে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা সংকুচিত হচ্ছে।

গত ৬ অক্টোবর প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’-এ বলা হয়, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসার পর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জোরালো পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে তা এখনো দৃশ্যমান হয়নি।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এডিবির পর্যালোচনাতেও ব্যাংকিং খাতের সংকট ও অন্যান্য কাঠামোগত বাধা নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়। সংস্থাটির মতে, উচ্চ খেলাপি ঋণ, ব্যাংকগুলোর দুর্বল আর্থিক ভিত্তি, ঝুঁকিমুক্ত সরকারি সিকিউরিটিজে অর্থ বিনিয়োগের প্রবণতা এবং উচ্চ সুদহারের কারণে বেসরকারি খাত প্রয়োজনীয় ব্যাংকঋণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ ছাড়া অনির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ, লজিস্টিকসসংক্রান্ত জটিলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রক ও প্রশাসনিক অনুমোদনপ্রক্রিয়া নতুন বিনিয়োগকে বাধাগ্রস্ত করছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এসব সমস্যা সমাধান না হলে মুদ্রানীতি সহজ করা কিংবা আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ থেকেও প্রত্যাশিত ফল পাওয়া কঠিন হবে।

সুশাসনের ঘাটতিই সংকটের অন্যতম কারণ

পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে নিম্ন প্রবৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সীমিত কর্মসংস্থানের এক জটিল ফাঁদে আটকে পড়েছে। এর ফলে দারিদ্র্য নিরসনে অতীতে বাংলাদেশের অর্জিত সাফল্যও উল্টো পথে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

তাঁর মতে, স্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের মূল্যায়নে যে মিল দেখা যাচ্ছে, তা দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতারই ইঙ্গিত দেয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুশাসন নিশ্চিত করা না গেলে এই ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন হবে।

সংকট মোকাবিলায় তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি, বিকেন্দ্রীকরণ, সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি, সমন্বিত নীতি প্রণয়ন এবং অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধের ওপর গুরুত্ব দেন।

অন্যদিকে, দেশের অর্থনৈতিক সংকটের জন্য শুধু বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে দায়ী করার প্রবণতার সমালোচনা করেছেন ড. জাহিদ হোসেন। তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও সুশাসনের ঘাটতিই সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের সুশাসনবিষয়ক ছয়টি সূচকে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে বাংলাদেশের অবস্থান সব কটিতেই নিচের ২০ থেকে ২৫ শতাংশের মধ্যে দেখা যায়। একই বৈশ্বিক সংকটের মুখোমুখি হয়েও অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কার্যকারিতা কেন বেশি খারাপ, এসব সূচক তা বোঝাতে সহায়তা করে। তাই সংকটকে শুধু বৈশ্বিক ঘটনার পরিণতি হিসেবে তুলে ধরা একধরনের ‘অর্ধসত্য’।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতিগত কঠোরতার পরামর্শ

ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্য-উপাত্ত ও প্রবণতার ভিত্তিতেই আইএমএফ তাদের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আরও কমিয়েছে। সংস্থাটি কয়েক মাস পরপর পূর্বাভাস সংশোধন করে থাকে। পরবর্তী প্রক্ষেপণ কিছুটা ভালো বা খারাপ হতে পারে, তবে সর্বশেষ পূর্বাভাস অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান দুর্বলতা ও ঝুঁকির স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।

তিনি সরকারের প্রতি কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় কমানোর পরামর্শ দেন। তাঁর মতে, রাজস্ব আদায় না বাড়া এবং নতুন বিনিয়োগের গতি দুর্বল থাকায় এই মুহূর্তে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যের চেয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা গেলে একদিকে তাঁদের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষা পাবে, অন্যদিকে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমানোর সুযোগও তৈরি হবে।

সংস্কার বাস্তবায়নই ঘুরে দাঁড়ানোর শর্ত

অর্থনীতিবিদদের মূল্যায়নে, বাংলাদেশের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করা। ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা, জ্বালানি নিরাপত্তা, কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা না গেলে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর নীতি কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না।

ড. জাহিদ হোসেনের মতে, আইএমএফের পূর্বাভাস একটি ‘বেসলাইন সিনারিও’ বা মৌলিক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে। ব্যাংকিং খাত, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং নিয়ন্ত্রক ও নীতিগত কাঠামোয় মৌলিক সংস্কার ও সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে পরিস্থিতির উন্নতির সুযোগ রয়েছে। অন্যথায় নিম্ন প্রবৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সীমিত কর্মসংস্থানের সম্মিলিত চাপ বাংলাদেশের অর্থনীতিকে দীর্ঘস্থায়ী সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন