মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

মোংলা বন্দর সম্প্রসারণে ২.৪০৪ বিলিয়ন ইউয়ানের ঋণচুক্তি

২ শতাংশ সুদে ২০ বছরে পরিশোধযোগ্য ঋণচুক্তি স্বাক্ষর, নির্মাণ করা হবে দুটি আধুনিক কনটেইনার টার্মিনাল

মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের (এক্সিম ব্যাংক) সঙ্গে ২ দশমিক ৪০৪ বিলিয়ন চীনা ইউয়ান বা আরএমবির ঋণচুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ সরকার। মার্কিন ডলারে এ ঋণের পরিমাণ ৩৩৫ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন ডলার।

গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকার ও চীনের এক্সিম ব্যাংকের মধ্যে এ ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের নেওয়া ‘মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নির্মাণ করা হবে দুটি কনটেইনার টার্মিনাল

প্রকল্পের আওতায় আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ দুটি কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কনটেইনার ইয়ার্ড, কনটেইনার ডেলিভারি ইয়ার্ড এবং কার্গো হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুবিধাদির আধুনিকায়নও করা হবে।

এসব অবকাঠামো নির্মিত হলে মোংলা বন্দরের কনটেইনার ও পণ্য ওঠানো-নামানোর সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে বন্দরের পণ্য ও কনটেইনার ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে।

২ শতাংশ সুদে ২০ বছরের ঋণ

স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী, চীন সরকার প্রকল্পটির জন্য ২ শতাংশ সুদে নমনীয় ঋণ দেবে। ঋণ পরিশোধের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ বছর। এর মধ্যে প্রথম পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড হিসেবে থাকবে।

বাংলাদেশ ও চীনের প্রতিনিধিদের চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্মসচিব আলিয়া মেহের এবং চীনের এক্সিম ব্যাংকের পক্ষে ব্যাংকটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফেংজুন তিয়ান ঋণচুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্য অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন