শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭২

১৪ আগস্ট ২০২৬

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত শিশুদের কারও শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম শনাক্ত হয়নি। একই সময়ে নতুন করে ৯৭২ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

উপসর্গে মৃতের সংখ্যা ৭৯৫

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৯৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে আরও ৯৯ শিশু।

সব মিলিয়ে এ সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ ও শনাক্ত হাম—দুই শ্রেণিতে মোট ৮৯৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুদের প্রত্যেকের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে—এমন নয়। ফলে উপসর্গজনিত মৃত্যু ও পরীক্ষায় নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুকে আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত ১ লাখ ৪১ হাজারের বেশি শিশু

চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৮ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।

এ সময় উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৭৯৪ শিশু। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, একই সময়ে দেশে মোট ১৭ হাজার ৭৩০ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

হামের উপসর্গ নিয়ে বিপুলসংখ্যক শিশুর হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে রোগী ব্যবস্থাপনা ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দৈনিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি, সুস্থ এবং মৃত্যুর সংখ্যা নিয়মিতভাবে হালনাগাদ করা হচ্ছে।

হামের পাশাপাশি একই ধরনের উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে এমন অন্যান্য রোগ বা জটিলতার বিষয়ও চিকিৎসকদের বিবেচনায় নিতে হয়। তাই শুধু উপসর্গের ভিত্তিতে মৃত্যুর ঘটনাকে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যু হিসেবে গণ্য না করে পরীক্ষার ফল ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে কারণ নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন