অনুসরণ করুন:
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় তাসকিন ও নাহিদ রানা, দ্বিতীয় টেস্টে শরিফুলকে পাওয়ার আশা বিসিবির

ক্রীড়া প্রতিবেদক

চোট কাটিয়ে দ্রুত মাঠে ফেরার লক্ষ্য নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় গেছেন বাংলাদেশের দুই পেসার তাসকিন আহমেদনাহিদ রানা। দুজনই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও শারীরিক মূল্যায়নের জন্য দেশ ছেড়েছেন। তবে তাদের সফরের উদ্দেশ্য ও পরবর্তী পরিকল্পনায় রয়েছে ভিন্নতা।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, চিকিৎসা শেষে তাসকিন আহমেদ অস্ট্রেলিয়াতেই অবস্থান করবেন এবং সেখান থেকে ৩১ জুলাই দেশ ছাড়তে যাওয়া বাংলাদেশ টেস্ট দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। অন্যদিকে ইনজুরির কারণে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে ছিটকে যাওয়া নাহিদ রানা চিকিৎসা ও মূল্যায়ন শেষে দেশে ফিরে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করবেন।

বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার নাফিস জানান, নাহিদ রানাকে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর মূল কারণ সাম্প্রতিক সাইড স্ট্রেইন ইনজুরি নয়। বরং দীর্ঘদিন ধরে তাকে ভোগানো পায়ের শিনবোন-সংক্রান্ত সমস্যার বিস্তারিত মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণই এ সফরের প্রধান উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, পাঁজরের পেশিতে পাওয়া চোটটি সময়ের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই সেরে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দীর্ঘদিনের শিনবোন সমস্যার প্রকৃতি ও ভবিষ্যৎ চিকিৎসা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া জরুরি হওয়ায় তাকে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানো হয়েছে।

শাহরিয়ার নাফিস আরও জানান, এটি কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়। বিসিবির পেস বোলারদের শারীরিক সক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদি ফিটনেস এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়নের যে পরিকল্পনা আগে থেকেই ছিল, তারই অংশ হিসেবে নাহিদের এই চিকিৎসা সফরের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে জিম্বাবুয়ে সফরে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়া বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম-এর পুনর্বাসন সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে। আগামী ১২ আগস্ট তার চূড়ান্ত ফিটনেস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিসিবি আশা করছে, সবকিছু অনুকূলে থাকলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের আগে তিনি জাতীয় দলে যোগ দিতে পারবেন। যদিও ইনজুরির কারণে প্রথম টেস্টে তার খেলা হচ্ছে না।

দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০০৩ সালে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে গিয়ে স্বাগতিকদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল টাইগাররা।

এবারের দুই ম্যাচের সিরিজটি আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (WTC) নতুন চক্রের অংশ। সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট ম্যাকায়ে।

অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে এই সিরিজকে সামনে রেখে পেস আক্রমণকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত করতে চায় বাংলাদেশ দল। তাই চোটগ্রস্ত বোলারদের দ্রুত সুস্থ করে তোলার পাশাপাশি তাদের দীর্ঘমেয়াদি ফিটনেস নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে বিসিবি।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন