সোমবার, ১১ মে ২০২৬

গাইবান্ধায় দুদকের গণশুনানি: ৯টি অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত

গাইবান্ধা, ১১ মে ২০২৬:

“সবাই মিলে গড়বো দেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাইবান্ধায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ১৯৩তম গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণশুনানিতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের বিরুদ্ধে উত্থাপিত ৯টি অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য কমিশনে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ গাইবান্ধা ইনডোর স্টেডিয়ামে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রংপুর আয়োজিত এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

দুর্নীতিবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর-সংস্থাগুলোর সেবার মান উন্নয়ন, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি প্রতিরোধ এবং সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যেই এ গণশুনানির আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেন, সাধারণ মানুষের মাঝে দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দুদক সারা দেশে নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন করে থাকে।

গণশুনানিতে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন দুদকের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন ও মো. আক্তার হোসেন, গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজিব পিপিএম এবং দুদকের বিভাগীয় কার্যালয় রংপুরের পরিচালক মোহাং নুরুল হুদা।

বক্তারা বলেন, দুর্নীতির অপরাধ ও এর শাস্তি সম্পর্কে সাধারণ মানুষ সচেতন হলে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে দুর্নীতি কমে আসবে এবং সেবার মান বৃদ্ধি পাবে।

গণশুনানিতে ৩২টি সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত দপ্তরের বিরুদ্ধে মোট ৯৭টি অভিযোগের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, কাস্টমস, পরিবেশ অধিদপ্তর, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল, রেলওয়ে এবং এলজিইডি সংক্রান্ত ৭টি অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এছাড়া ভূমি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জেলা রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্য অভিযোগগুলোর তাৎক্ষণিক সমাধান করা হয়।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন