সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে শ্যামা পূজার সরকারি ছুটি মিলিয়ে টানা তিন দিনের ছুটিতে পর্যটকদের পদচারনায় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে কুয়াকাটা। পর্যটকদের ভিড়ে হোটেল-মোটেলগুলোতে শতভাগ কক্ষ বুকিং থাকায় পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যেও ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য।
বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই সৈকতে পর্যটকদের আগমন বাড়তে শুরু করে। শুক্রবার সকাল থেকে জিরো পয়েন্টসহ পুরো সৈকতে দেখা যায় পর্যটকদের সরব উপস্থিতি। কেউ সমুদ্রে ডুব সাঁতারে মেতেছেন । আবার কেউ সৈকতের বেঞ্চিতে বসে উপভোগ করছেন সাগরের অপরূপ সৌন্দর্য্য।
শুধু জিরো পয়েন্ট নয়, প্রায় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকতের লেম্বুরবন, চর গঙ্গামতিসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটেও বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে ছুটির আনন্দ ভাগাভাগি করতে দূর-দূরান্ত থেকে কুয়াকাটায় ছুটে আসছেন নানা বয়সী মানুষ।
পর্যটকদের আগমনে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, খাবারের দোকান, ফটোগ্রাফার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা বেড়েছে। বাড়তি বেচাকেনায় স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। পর্যটকদের এমন উপস্থিতিতে খুশি পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
ঝিনুক দোকানী মো. ইয়াসিন বলেন, এই তিন দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় পর্যটকের উপছে পরা ভিড় রয়েছে।আমাদের বেচা-কেনা বেড়েছে।
হোটেল মোটেল অউনার এসোসিয়েশন সভাপতি আবদুল মোতালেব শরীফ বলেন, তিন দিনের ছুটিতে অনেক পর্যটক আসছে। এভাবে সবসময় পর্যটক থাকলে পর্যটন ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন।
মহিপুর থানার ওসি মো. শামীম হাওলাদার বলেন, পর্যটন পুলিশ ও থানা পুলিশ সার্বক্ষণিক ডিউটিতে আছে।
কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রশাসন যথাযথ দায়িত্ব পালন করছে।

