কুমিল্লা সদরের ছত্রখিল এলাকায় যুবদল নেতা কাউছার হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
তারা হলেন- কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার নন্দিবাজার এলাকার বাসিন্দা তৌহিদ ও তানজির। তাদের বয়স ২৫ থেকে ২৮ এর মধ্যে।
শুক্রবার রাতে হত্যাসহ সাত মামলার আসামি তৌহিদকে কুমিল্লা নগরীর নুরপুর এলাকা থেকে পুলিশ এবং এক মামলার আসামি তানজিরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি।
তবে এ ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মামলা হয়নি।
শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এসআরবি-১১, কুমিল্লা সিপিসি-২ ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান।
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ছত্রখিল এলাকার উপজেলা মডেল মসজিদের বিপরীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন একটি জায়গাকে কেন্দ্র করে তানজির ও তার আপন ছোট ভাই তৌহিদের সঙ্গে কাউছার ও শামীমের বিরোধ চলছিল।
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তৌহিদ ও তানজিরসহ কয়েকজন ওই স্থানে কফি শপ তৈরির কাজ করছিলেন। এ সময় কাউছার, শামীমসহ আরও কয়েকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তৌহিদ ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন কাউছার ও শামীমের ওপর হামলা চালান।
পুলিশ জানায়, তৌহিদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাউছারকে গুরুতর জখম করা হয়। এ সময় কাউছার ও শামীমসহ কয়েকজন আহত হন। হামলার পর অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। গুরুতর আহত কাউছারকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এদিকে তৌহিদকে গ্রেপ্তারের সময় উত্তেজিত জনতার হাতে তিনি আহত হন। পরে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে পুলিশ পাহারায় তার চিকিৎসা চলছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে দ্রুত আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিহত মো. আবু কাউছার (৩৫) নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের যুবদলের সদস্য।

