প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার ব্যবধানে তিন কম্পন; উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার সীমান্ত, মিজোরাম ও ত্রিপুরা এলাকায়
এক রাতেই পরপর তিন দফা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা। মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এবং ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা অঞ্চলে সৃষ্টি হওয়া এসব ভূকম্পনের কম্পন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা ১২ মিনিট থেকে রাত ১টা ২৭ মিনিটের মধ্যে তিনটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্রের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ভূমিকম্পটি হয় রাত ১২টা ১২ মিনিটে। মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় সৃষ্ট ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯।
এর মাত্র এক মিনিট পর, রাত ১২টা ১৩ মিনিটে ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুংলেই অঞ্চলে আরও একটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়। এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ০। এই কম্পন চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
এরপর রাত ১টা ২৭ মিনিটে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা এলাকায় তৃতীয় ভূমিকম্পটি হয়। এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৮। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানেও এর মৃদু কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
অল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক কম্পন অনুভূত হওয়ায় মধ্যরাতে দেশের কয়েকটি এলাকায় মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
তাৎক্ষণিকভাবে এসব ভূমিকম্পের কারণে বাংলাদেশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে খুব কাছাকাছি সময়ে রেকর্ড হওয়া প্রথম দুটি কম্পন পৃথক ভূমিকম্প ছিল কি না এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থার হিসাবে এগুলোর মাত্রা ও উৎপত্তিস্থলের তথ্যে কোনো পার্থক্য রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট সংস্থার চূড়ান্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

