শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তিস্তার গর্ভে হারিয়ে গেল ‘ভোরের পাখি’ স্কুল

অবশেষে তিস্তার ভয়াল ভাঙনের কাছে হার মানল গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার সিংগীজানী গ্রামের ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তিস্তার তীব্র ভাঙনে বিদ্যালয়টির অবশিষ্ট অংশটুকুও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এর ফলে বিদ্যালয়টির আর কোনো অস্তিত্ব অবশিষ্ট নেই।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ আগস্ট তিস্তার ভাঙনে বিদ্যালয়ের দুটি সেমিপাকা টিনশেড ভবনের একটির পুরো অংশ এবং অপরটির অর্ধেক নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। পরে অবশিষ্ট অংশ রক্ষার চেষ্টা করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। বৃহস্পতিবারের ভয়াবহ ভাঙনে বিদ্যালয়ের বাকি অংশটুকুও মুহূর্তের মধ্যে নদীতে চলে যায়।


বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটবে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
স্থানীয় অভিভাবক আতাউর রহমান বলেন, “বিদ্যালয়টি রক্ষায় আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম। এখন শিক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত বিকল্প শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।”


এদিকে বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও হতাশা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে নতুন স্থানে বিদ্যালয় স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন