বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজের দপ্তরেই ‘মাননীয়’ সম্বোধন বাদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সরকারি পরিপত্রের বাস্তবায়ন শুরু

ডিজিটাল হাজিরাও দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার না করার সরকারি সিদ্ধান্ত নিজের দপ্তর থেকেই কার্যকর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নথি ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে তাঁর পদবির আগে সম্মানসূচক শব্দটি বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা ফাইল ও অন্যান্য সরকারি নথিতে এখন থেকে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র পরিবর্তে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ লেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পরিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপে তাঁদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

সারা প্রশাসনে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রটি সব মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকেই নির্দেশনাটির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

মাঠ প্রশাসনেও পরিপত্রের বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি অধিশাখার যুগ্ম সচিব তানভীর আহমেদ। নির্দেশনার ব্যত্যয় পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ডিজিটাল হাজিরা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রবেশের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিজিটাল হাজিরা দিয়েছেন বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো প্রধানমন্ত্রীও কার্যালয়ে প্রবেশ ও কাজ শেষে বের হওয়ার সময় নির্ধারিত পদ্ধতিতে ডিজিটাল হাজিরা দিচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি কার্যক্রম ও প্রচারণায় তাঁর ছবি ব্যবহার না করা, প্রটোকলে গাড়ির সংখ্যা কমানো এবং তাঁর চলাচলের সময় সাধারণ মানুষের জন্য ট্রাফিক সিগন্যাল বন্ধ না রাখার মতো কয়েকটি পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন