বিরোধী দলের সদস্যরা সমান অধিকার পাচ্ছেন না, সংসদে অভিযোগ শফিকুরের
- নিজস্ব প্রতিবেদক
- ৩ ঘণ্টা আগে
সংসদ সদস্যদের সরকারি বরাদ্দ ও দায়িত্ব বণ্টনে বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারি দলের সমান অধিকার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
তার অভিযোগ, উন্নয়ন বরাদ্দে বিরোধী দলের নির্বাচিত সদস্যদের পাশাপাশি সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরাও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এ অভিযোগ তোলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা যারা বিরোধীদলীয় সদস্য এখানে আছি, তারা আমাদের ন্যায্য অধিকারটা, সমানটা আমরা সব পাচ্ছি না।”
তার অভিযোগ, প্রথমে উন্নয়ন তহবিল বরাদ্দে বিরোধী দলের নির্বাচিত সদস্যরা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। এরপর সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিরোধী দলের নারী সদস্যরা একই সুযোগ পাননি।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “দেশটা সকলের। ট্রেজারিতে টাকা দেয় সবাই। ১৮ কোটি মানুষের অবদান এখানে আছে। কোনো ব্যক্তি, এলাকাকে পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার কোনো সুযোগ নেই।”
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের নির্বাচনি এলাকায় দায়িত্ব দেওয়ার পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াতের আমির।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকার মানুষের কাছে সরাসরি দায়বদ্ধ।
তার ভাষায়, সেই এলাকায় আলাদা করে অন্য সদস্যকে দায়িত্ব দিলে সমন্বয়ের সমস্যা তৈরি হতে পারে।
শফিকুর রহমান বলেন, “জনগণ সরাসরি আমাদেরকে, যাদেরকে ভোট দিয়েছে, আমরা আমাদের নির্বাচিত এলাকার প্রত্যেকটি মানুষের কাছে দায়বদ্ধ।”
তিনি প্রস্তাব করেন, সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরা সরকারি দলের নির্বাচিত সদস্যদের সঙ্গে এবং বিরোধী দলের নারী সদস্যরা বিরোধী দলের নির্বাচিত সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করলে মতবিরোধ কমবে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটের প্রসঙ্গও তোলেন বিরোধীদলীয় নেতা।
তিনি বলেন, গণভোট পর্যন্ত সরকার ও বিরোধী দল একই অবস্থানে ছিল।
“ওই পর্যন্ত তো আমরা এক ছিলাম। কিন্তু এরপরে যেদিন আমাদের শপথ হল, সেদিন থেকে এই জায়গাটায় আমাদের সমস্যা তৈরি হয়ে গেল এবং আজ পর্যন্ত এর কোনো সুরাহা নাই।”
তার অভিযোগ, সংস্কারের পক্ষে জনগণের রায় পাওয়ার পরও সেই রায় বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।
তিনি বলেন, “সংসদ নির্বাচনের আমরা যতটুকু হোক কার্যকারিতা পেলাম, কিন্তু গণভোটের কোনো সুরাহা নাই।”
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তাদের লক্ষ্য কোনো নির্দিষ্ট দলকে ক্ষমতায় আনা বা ক্ষমতার বাইরে রাখা নয়।
তিনি বলেন, “জাতীয়তাবাদী দল ক্ষমতায় আসুক, আলহামদুলিল্লাহ। জনগণ আমাদেরকে পাঠাক, আলহামদুলিল্লাহ। অন্য কোনো দলকে নির্বাচন করুক, আলহামদুলিল্লাহ।”
যে দলই সরকার গঠন করুক, দেশে যেন আবার ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও রাজনৈতিক নিপীড়ন ফিরে না আসে, বলেন শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, “আমরা চেয়েছিলাম যে দলটি নির্বাচিত হয়ে দেশ এবং জনগণকে পরিচালনা করবে, সরকার গঠন করবে, তাদের মধ্যে আর যেন ফ্যাসিবাদ কাজ না করে, আর যেন কোনো বৈষম্য না হয়, আর যেন কোনো মায়ের বুক অপ্রয়োজনে অহেতুক খালি না হয়।”
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা এবং জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাবের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতের আমির বলেন, শুধু সাধারণ আইন বা সংশোধনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত সংস্কারের স্থায়িত্ব নিশ্চিত নাও হতে পারে।
তার মতে, সংসদে কোনো আইন বা সংশোধনী পাস হলেও তা পরে আদালতে চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
শফিকুর রহমান বলেন, “আজকে এখানে কোনো বিল আকারে আসবে, আমরা এটা পাস করে দেব, কালকে আদালত চাইলে এটাকে চ্যালেঞ্জ করে শেষ করে দেবে। এরকম উদাহরণ একটা নয়, দুইটা নয়, অনেক।”
তিনি বলেন, “আমি মনে করি সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি। আমি অনুরোধ করব, বিষয়টা সরকার যেন বিবেচনায় নিয়ে জনরায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে জন-আকাঙ্ক্ষাকে আমরা যেন বাস্তবায়ন করতে পারি।”
বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিষয়েও সরকারের সমালোচনা করেন বিরোধীদলীয় নেতা।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথা তুলে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সেই ব্যবস্থা রাখেনি।
শফিকুর রহমান বলেন, “এই ওয়াদাটা বর্তমান সরকারের দলেরও ছিল। বিচার বিভাগকে স্বাধীনতা দেওয়া হবে। কিন্তু এটা এখন আবার হারিয়ে গেছে। জাতি এখানে এসে ধাক্কা খেল।”
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা।
তার দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিচার প্রক্রিয়ায় যতটুকু দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছিল, বর্তমান সরকারের ছয় মাসে তা দেখা যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের সদস্যরা এখনও তাদের কাছে বিচার পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন করেন।
শফিকুর রহমান বলেন, “সন্তান তো চলে গেল, পিতা তো চলে গেল, বাবা তো চলে গেল, ভাই তো চলে গেল, বিচারটা কি আমরা পাব? আমাদের কাছে তার কোনো সদুত্তর নাই।”
স্বাভাবিক আদালত বা ট্রাইব্যুনাল, যেখানে যেটি প্রযোজ্য, সেখানে বিচার দ্রুত করার আহ্বান জানান তিনি।
ভারতের সঙ্গে ‘সমানে সমান’ সম্পর্ক চান
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন জামায়াতের আমির।
মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান অস্বীকার করা যায় না তুলে ধরে তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক হতে হবে পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে।
সীমান্ত হত্যা, তিস্তা ও গঙ্গার পানি বণ্টনের বিষয়গুলো সামনে আনেন তিনি।
শফিকুর বলেন, “এখানে আলোচনা হবে, লড়াই হবে সমানে সমান। আমরা কারো অধীনতা মেনে নেব না। বাংলাদেশ আর কারো অধীনতার পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবে না।”
শিল্পে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে উদ্বেগ
শিল্প খাতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়েও উদ্বেগ জানান বিরোধীদলীয় নেতা।
তিনি বলেন, উৎপাদন কমতে থাকলে শিল্প মালিকদের পক্ষে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ, শ্রমিক ধরে রাখা এবং বিদেশি ক্রেতা ধরে রাখা কঠিন হবে।
শফিকুর রহমান বলেন, “একবার যদি বায়ার আমাদের থেকে ফিরিয়ে অন্যদিকে চলে যায়, আবার সেই বায়ার তখন আসে না।”
শিল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, কৃষকের ন্যায্যমূল্য এবং ‘সিন্ডিকেট’ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন শফিকুর।
তিনি বলেন, “এটাকে নিয়ন্ত্রণ নয়, নির্মূল বলব। নির্মূল করার জন্য উদ্যোগটা যেন দৃশ্যমান হয়।”
তার মতে, মাদক শুধু ব্যক্তি বা পরিবারের সমস্যা নয়, জাতীয় সমস্যা।
শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েও সমালোচনা করেন বিরোধীদলীয় নেতা।
তার অভিযোগ, অতীতে একদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখল হয়েছে, অন্যদিকে শিক্ষার মানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, “আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল হবে না। অস্ত্রের ঝনঝনানি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে হবে না। আমাদের সন্তানদেরকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে কলমের বদলে অস্ত্র হাতে নিতে হবে না।”
নৈতিকতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে কারিকুলাম ও সিলেবাস সাজানোর আহ্বান জানান তিনি।
সমাপনী বক্তব্যের শুরুতে ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান আমল, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য দেন শফিকুর রহমান।
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ভূমিকার কথাও তোলেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে আন্দোলন ১৯৪৮ সাল থেকেই শুরু হয়েছিল এবং ১৯৫২ সালে তা চূড়ান্ত রূপ নেয়।
তিনি বলেন, “লিয়াকত আলী খান যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন, তখন সেই ভাষা স্মারকটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন জিএস গোলাম আযম পাঠ করেছিলেন। ভাষা আন্দোলনের জন্য তাকে জেলেও যেতে হয়েছিল।”
ভাষা আন্দোলনের শহীদ এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া অন্যদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।
জামায়াত নেতাদের যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়েও সমালোচনা করেন শফিকুর রহমান।
তার দাবি, সেই বিচার প্রক্রিয়ায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পক্ষ আপত্তি জানিয়েছিল।
শাহবাগ আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াতের আমির বলেন, “শাহবাগে একটি আসর বসানো হয়েছিল, ৪২ দিন যাবৎ এটা দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল। সেই শাহবাগের তৎকালীন নেতাদের কথায় বাংলাদেশের প্রশাসন কী অবস্থায় ছিল, আমরা জানি।”
তার অভিযোগ, “শাহবাগের দাবিতে রেট্রোস্পেকটিভ ইফেক্ট দিয়ে একটা আইন পর্যন্ত সংশোধন করে মানুষকে খুন করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, এর মধ্যে শুধু জামায়াতে ইসলামীর নেতারাই নন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীও ছিলেন।
স্বাধীনতার পর বাকশাল, রক্ষীবাহিনী, দুর্ভিক্ষ এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়েও কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা।
রক্ষীবাহিনীর বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ করেন তিনি।
২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শফিকুর রহমান।
তার দাবি, হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ‘পরিকল্পনাকারী ও হুকুমদাতা’ কারা ছিলেন, তা এখনও পুরোপুরি জাতির সামনে আসেনি।
র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সম্প্রতি সংসদে পাস হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়েও আপত্তি জানান শফিকুর রহমান।
আইনটি কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে দাবি করেন তিনি বলেন, “আমি অনুরোধ করব মাননীয় রাষ্ট্রপতি যেন এটাতে সিগনেচার না করেন।”
বিষয়টি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছে পাঠিয়ে আলেম ও স্কলারদের মতামত নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
এই বিভাগের আরও খবর
ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চে বড় জমায়েত, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে ১১…
প্রধানমন্ত্রীকে গালিগালাজ করা সেই সিফাতকে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার দাবি করে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকার…
সব প্রশ্নই সরকারি দলের: প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব নিয়ে নাহিদ ইসলামের প্রশ্ন
জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত তারকাচিহ্নিত আটটি প্রশ্নের…
বিএনপি কোনো ‘বট বাহিনী’ চালায় না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন,…
২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির
সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি ও আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের…
সর্বশেষ খবর
2.
3.
জনপ্রিয় বিভাগ সমূহ
আরও পড়ুন
তিস্তার গর্ভে হারিয়ে গেল ‘ভোরের পাখি’ স্কুল
অবশেষে তিস্তার ভয়াল ভাঙনের কাছে হার মানল গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার সিংগীজানী গ্রামের ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।…
অধিকারবঞ্চিত মানুষের পক্ষে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হবে লং মার্চ : মাওলানা আব্দুল হালিম
জুলাই গণহত্যার বিচার, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, গণভোটের রায়ের প্রতি সম্মান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ,…
ইরানের সঙ্গে সংঘাত এড়িয়ে হুথিদের ঠেকাতে সৌদির নতুন কৌশল
ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সবচেয়ে বড় হামলার মুখোমুখি হয়ে সৌদি আরব কৌশলগতভাবে গোষ্ঠীটির ওপর প্রতিরোধ বজায় রাখার এক নতুন পথ অবলম্বন…
বন্যপ্রাণী পাচার ঠেকাতে দক্ষিণ এশিয়ায় যৌথ অভিযান চান পরিবেশমন্ত্রী
কাঠমান্ডুতে SAWEN-এর প্রথম সাধারণ পরিষদ গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সাইবার ও আর্থিক তদন্ত এবং অপরাধী নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার আহ্বান নিজস্ব প্রতিবেদক…
প্রবাসী আয়ে স্বস্তি, ছয় মাসে বেড়েছে ১৩.১ শতাংশ
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে স্বস্তি এনে চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ১…
ত্রয়োদশ সংসদে আরও ৪টি কমিটি গঠন
বর্তমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার আরও চারটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সংসদের সব কমিটি অর্থাৎ ৫০টি…
নিজের দপ্তরেই ‘মাননীয়’ সম্বোধন বাদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
সরকারি পরিপত্রের বাস্তবায়ন শুরু ডিজিটাল হাজিরাও দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার…
প্রভাবশালী হলেও দুর্নীতিবাজদের ছাড় নয়: রাষ্ট্রপতি
বঙ্গভবনে দুদক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ গুরুতর দুর্নীতির দ্রুত অনুসন্ধান ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যত…

