বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানকে দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার উল্লেখ করে ভবিষ্যতে দুই দেশের উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি রাষ্ট্রদূতের কাছে তুলে ধরেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপান দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। স্বাধীনতার পর থেকে দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জাপানের সহযোগিতা আর্থসামাজিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্ক পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে বিস্তৃত। দুই দেশ বর্তমানে ‘কৌশলগত অংশীদারত্বের’ আওতায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে।
বৈঠকে জাপানের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই সমাজ বিনির্মাণে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।
এ ছাড়া গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণসহ বাংলাদেশ ও জাপানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় উঠে আসে।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব কোমিনে কেন, দ্বিতীয় সচিব সোমা হানা, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

