শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

বাড্ডায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডিবির গুলিতে যুবক আহত, পিস্তল-গুলি উদ্ধার

রাজধানীর বাড্ডার আফতাবনগরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এস এম আরিফুল ইসলাম পাভেল (৩০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পুলিশ তাকে ডাকাত দলের সদস্য বলে দাবি করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে আফতাবনগরের এম-ব্লক, সেক্টর-৫-এর ইস্ট অ্যান্ড হাউজিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিতে পাভেলের ডান পায়ের হাঁটুর নিচে আঘাত লাগে।

পরে তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চিকিৎসাধীন রাখেন।

ডিবির দাবি, পুলিশের দিকে গুলি চালানোর চেষ্টা

ঘটনার বিষয়ে গুলশান বিভাগের ডিবির পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন জানান, আফতাবনগরের এম-ব্লক, সেক্টর-৫-এর ইস্ট অ্যান্ড হাউজিং এলাকায় একদল ব্যক্তি ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে পুলিশের কাছে তথ্য ছিল। তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাভেল তার কাছে থাকা পিস্তল দিয়ে ডিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি করার চেষ্টা করেন বলে দাবি করেন পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন।

এ সময় ডিবি পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে পাভেলের ডান পায়ের হাঁটুর নিচে গুলি লাগে। পরে তাকে আটক করা হয়।

পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার

পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে পাভেলের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

গুলশান বিভাগের ডিবির পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন বলেন, আহত অবস্থায় পাভেলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কে এই পাভেল

পুলিশ জানিয়েছে, এস এম আরিফুল ইসলাম পাভেল ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানার বাকেরগঞ্জ গ্রামের আবু সাদেক সর্দার বাদলের ছেলে। তিনি বর্তমানে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের গোড়ান এলাকায় বসবাস করছিলেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আফতাবনগরে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে ডাকাতির প্রস্তুতির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে পুলিশি অভিযানে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটি নিয়েও তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলবে। গ্রেফতার বা পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না; আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরই অপরাধের দায় চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন