শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে এনসিপি প্রতিনিধিদলের বৈঠক

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একটি প্রতিনিধিদল। বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকায় চীনা দূতাবাসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপির মুখপাত্র এবং দলটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও প্রবাসী বিষয়ক উপকমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে। আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় গুরুত্ব পায়।

কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব

বৈঠকে উভয় পক্ষ নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে।

এনসিপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আলোচনা সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও ধারাবাহিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে বৈঠকে মত প্রকাশ করা হয়।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে সামনে রেখে ভবিষ্যতেও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগ ও মতবিনিময় অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা আলোচনায় উঠে আসে।

প্রতিনিধিদলে ছিলেন যারা

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নেতৃত্বাধীন এনসিপি প্রতিনিধিদলে দলটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও প্রবাসী বিষয়ক উপকমিটির সদস্য আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, মাহবুব আলম, নাভিদ নওরোজ শাহ এবং মনজিলা ঝুমা অংশ নেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চীনের যোগাযোগ

বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার চীন। অবকাঠামো, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা রয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গেও চীনা কূটনীতিকদের নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় হয়ে থাকে।

এ প্রেক্ষাপটে এনসিপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠকটিও দুই পক্ষের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তবে বৈঠকে নির্দিষ্ট কোনো চুক্তি, সমঝোতা বা নতুন কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, এনসিপির দেওয়া তথ্যে তা উল্লেখ করা হয়নি।

বৈঠকে উভয় পক্ষের আলোচনার মূল বার্তা ছিল—পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অভিন্ন উন্নয়নের স্বার্থে গঠনমূলক সম্পৃক্ততা বজায় রাখা।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন