অনুসরণ করুন:
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কের সমালোচনা নিউজিল্যান্ড প্রধানমন্ত্রীর

জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগকে ভিত্তি করে নিউজিল্যান্ডসহ প্রায় ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন। তিনি এ পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে লাক্সন বলেন, জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত এমন কোনো গ্রহণযোগ্য বা অর্থবহ প্রমাণ প্রকাশ করেনি, যা এ ধরনের শুল্ক আরোপকে যৌক্তিকভাবে সমর্থন করে।

তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ কোনো সমস্যার সমাধান নয়। বরং এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বৃদ্ধি পায় এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাও চাপের মুখে পড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুক্রবার থেকে বিভিন্ন দেশের নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর হয়েছে। এই তালিকায় চীন, ভারত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি বড় অর্থনীতির দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নিউজিল্যান্ডের পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্কের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ।

এদিকে একই হারে অস্ট্রেলিয়ার পণ্যের ওপরও শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী ডন ফ্যারেল। তিনি এই পদক্ষেপকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে বলেন, এটি বিদ্যমান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করে শুল্ক প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে যেসব দেশ মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল, তাদের রপ্তানি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন