মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের আক্রমণাত্মক ধাপ শেষ হয়েছে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এখনো স্পষ্টভাবে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-এর জ্বালানি বাজারে। দেশটিতে পেট্রোলের দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়ে চলেছে।
মঙ্গলবার অটো ট্রাভেল সংস্থা এএএ-এর প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের গড় মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৪৮৩ ডলারে।
দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্যগুলোতে জ্বালানির দাম আরও বেশি। ক্যালিফোর্নিয়া-তে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের দাম ৬ দশমিক ১৩১ ডলার এবং ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে ৫ দশমিক ৭০৫ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিম উপকূলের বড় বন্দরনির্ভর অর্থনীতি ও পণ্য পরিবহণ ব্যয় বৃদ্ধির কারণে এসব এলাকায় জ্বালানির দাম বেশি থাকছে। এর প্রভাব সরাসরি ভোক্তা পর্যায়েও পড়তে পারে।
অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে তুলনামূলক কম দামে জ্বালানি বিক্রি হচ্ছে। টেক্সাস-এ প্রতি গ্যালন পেট্রোলের দাম ৩ দশমিক ৯৮১ ডলার এবং লুইজিয়ানা-য় ৩ দশমিক ৯২৩ ডলার। এসব এলাকায় বেশি সংখ্যক তেল শোধনাগার থাকায় সরবরাহ পরিস্থিতি তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ মৌসুম শুরু হতে যাচ্ছে। সাধারণত এ সময় সড়কপথে ভ্রমণ বেড়ে যাওয়ায় জ্বালানির চাহিদাও বৃদ্ধি পায়। ফলে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বাড়তি চাহিদা মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। তবে এটি এখনো ২০২২ সালের জুনে রেকর্ড হওয়া সর্বোচ্চ গড় মূল্য—প্রতি গ্যালন ৫ দশমিক ০১৬ ডলারের নিচে রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি

