পবিত্র আশুরা জুলুম ও অবিচারের বিপরীতে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় মানবজাতিকে শক্তি ও সাহস জোগাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এই মহিমান্বিত দিনের তাৎপর্য ধারণ করে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য বেশি বেশি নেক আমল করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে শনিবার (৫ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে ড. ইউনূস বলেন, “পবিত্র আশুরার শোকাবহ এই দিনে আমি সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন (রা.) এবং কারবালার প্রান্তরে মর্মান্তিকভাবে শাহাদতবরণকারী সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।”
তিনি বলেন, ইসলাম সত্য, ন্যায় ও শান্তির ধর্ম। এই সুমহান আদর্শকে সমুন্নত রাখতে গিয়ে হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম হজরত ইমাম হোসেন (রা.), তার পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ সাহাবিরা বিশ্বাসঘাতক ইয়াজিদের সৈন্যদের হাতে কারবালার প্রান্তরে শহীদ হন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “অত্যাচারীর অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে ইসলামের বীর সৈনিকদের এই আত্মত্যাগ পৃথিবীর ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।”
কারবালার বেদনাবিধুর ঘটনার পাশাপাশি পবিত্র আশুরা ইসলামের ইতিহাসে অন্যতম ফজিলতপূর্ণ দিন বলেও উল্লেখ করেন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, “সমগ্র পৃথিবীর সৃষ্টিসহ নানা তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা এ দিনে সংঘটিত হয়েছে। হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসুল (সা.) পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দুটি রোজা রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।”
তিনি সমাজে সাম্য, ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি পবিত্র আশুরার দিনে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি এবং অব্যাহত অগ্রগতি কামনা করেন।

