প্রবীণদের সুস্থ, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব; বয়স্ক ভাতা, গণপরিবহনে ছাড় ও প্রবীণবান্ধব চিকিৎসাসেবার দাবিতে সংহতি প্রকাশ।
প্রবীণদের সুস্থ, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ লক্ষ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পৃথক ‘প্রবীণ সেল’ গঠনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আজ বঙ্গভবনে বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের ১৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির সভাপতি ফেরদৌস আরা বেগম। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রবীণদের জন্য পৃথক সেল গঠনের আহ্বান
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি প্রবীণ নাগরিকদের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রবীণদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং তাঁদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আলাদা ‘প্রবীণ সেল’ গঠনের আহ্বান জানান তিনি।
প্রবীণদের সুস্থ ও নিরাপদ জীবনযাপনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন রাষ্ট্রপতি।
বয়স্ক ভাতা ও গণপরিবহনে ৫০ শতাংশ ছাড়ের দাবি
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের প্রতিনিধিরা প্রবীণ নাগরিকদের জন্য কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে বয়স্ক ভাতা, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব নাগরিকদের মেট্রোরেল, ট্রেন ও গণপরিবহনে ৫০ শতাংশ ভাড়া ছাড় এবং প্রবীণবান্ধব চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা।
এ ছাড়া প্রবীণদের পরিচয় ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সার্বজনীন ‘সিনিয়র সিটিজেন কার্ড’ চালুর দাবিও জানান তাঁরা।
দাবির প্রতি সংহতি, সহযোগিতার আশ্বাস
প্রতিনিধিদলের উত্থাপিত দাবিগুলোর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।
প্রবীণ নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়ন, তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা সহজলভ্য করা এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো সাক্ষাৎকালে গুরুত্ব পায়।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন যারা
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মো. খবির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

