সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬

‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল’ সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ পরীক্ষাপূর্বক সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিলটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ এ বিল প্রণয়ন ও উত্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে কমিটির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

তবে বৈঠক চলাকালে কমিটির সদস্য মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আব্দুল বাতেন ওয়াকআউট করেন। এ বিষয়ে কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেন, কমিটির সদস্যদের কোনো সংশোধনী বা মতামত থাকলে তা সভায় উপস্থাপন, পরামর্শ দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে বিরোধিতা করার সুযোগ রয়েছে। এসবই কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব। তবে সভা থেকে ওয়াকআউট করা সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না।

বৈঠকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। সভায় উল্লেখ করা হয়, গত ছয় মাসে দেশে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। একই সময়ে মব তৈরির চেষ্টা চললেও কোনো রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি বলেও বৈঠকে জানানো হয়।

এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেনি বলেও সভায় উল্লেখ করা হয়।

মিরাজ শেখের অপহরণের ঘটনায় সরকারের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও বৈঠকে আলোচনা হয়। এ ধরনের দোষারোপের রাজনীতি বা ‘ব্লেম গেম’ পরিহার করা উচিত বলে মত দেন কমিটির সদস্যরা।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, শিরীন সুলতানা, মো. নূরুল ইসলাম এবং মো. আব্দুল বাতেন অংশ নেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তরগুলোর মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন