অনুসরণ করুন:
রবিবার, ৩ মে ২০২৬

আজ শুরু হচ্ছে ডিসি সম্মেলন, ৪৯৮ প্রস্তাবে গুরুত্ব জনসেবা ও উন্নয়ন খাতে

চলতি বছরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন আজ রোববার শুরু হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আয়োজনে চার দিনব্যাপী এই সম্মেলন চলবে বুধবার (৬ মে) পর্যন্ত। এবারের সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের ৪৯৮টি প্রস্তাব আলোচনার জন্য উপস্থাপিত হচ্ছে।

আজ সকাল সাড়ে ১০টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করে গঠিত বিএনপি সরকারের এটিই প্রথম ডিসি সম্মেলন।

এর আগে শনিবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. হুমায়ুন কবির জানান, আটজন বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিদের কাছ থেকে মোট ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এর মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে ৪৯৮টি প্রস্তাব কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে জনসেবা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, জনদুর্ভোগ কমানো, রাস্তাঘাট ও সেতু নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইন ও বিধিমালা সংশোধন এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৪টি প্রস্তাব স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ-সংক্রান্ত।

সম্মেলন চলাকালে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা গ্রহণ করবেন। এছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে কার্য-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের সম্মেলনে মোট ৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে ৩০টি কার্য-অধিবেশন। এতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অংশ নেবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, সচিবসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা এসব অধিবেশনে উপস্থিত থাকবেন।

ডিসি সম্মেলন সরকারের নীতিনির্ধারক এবং মাঠ প্রশাসনের মধ্যে সরাসরি মতবিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। গত বছর তিন দিনব্যাপী সম্মেলনে প্রায় ৪০০টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার বাস্তবায়ন হার ছিল ৪৪ শতাংশ।

এবারের সম্মেলনে ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, তথ্যপ্রযুক্তি ও ই-গভর্ন্যান্স, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হবে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন