বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১২০৪

চলতি বছরে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১১০০, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১ লাখ ৯২ হাজার রোগী

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১০০ জনে। অন্যদিকে, পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছেন আরও ১০৪ জন। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০৪ জনে।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ প্রাণহানি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ১০২, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮৫, বরিশালে ৬৫, খুলনায় ৫১ ও রংপুর বিভাগে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৮ জন

বুলেটিনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে এসেছেন ১ হাজার ২১৭ জন। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ৯৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সময়ে ৪২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৮৬ জন রয়েছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ২৫১, সিলেটে ১১৮, বরিশালে ১২৫, খুলনায় ৯৭, ময়মনসিংহে ৬৩, রাজশাহীতে ৩৩ ও রংপুরে ২৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত ২ লাখ ১৫ হাজারের বেশি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৬১ জনে। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ১৬৮ জন।

অন্যদিকে, চলতি বছরে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৬৮ জনে। তাঁদের মধ্যে ২৩ হাজার ১৯৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হিসাব সংরক্ষণ করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

পরীক্ষার সীমাবদ্ধতায় প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা অজানা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাসপাতালে আসা সব রোগী কিংবা হাসপাতালের বাইরে থাকা সব রোগীর হাম পরীক্ষা করা হয় না। ফলে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। মূলত হাসপাতালে আসা ও ভর্তি হওয়া রোগীদের তথ্যই নথিভুক্ত করা হচ্ছে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন