বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

ঈদুল আযহা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে আন্তরিকভাবে কাজের নির্দেশ আইজিপির

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) বাহারুল আলম বিপিএম আসন্ন ঈদুল আযহা নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৭ মে) সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে দেশের সকল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি এবং জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় আইজিপি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় আসন্ন ঈদুল আযহাকে ঘিরে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।

সমন্বিত নিরাপত্তা প্রস্তুতি
আইজিপি জানান, মেট্রোপলিটন, জেলা, হাইওয়ে, রেলওয়ে, ট্যুরিস্ট ও নৌ পুলিশসহ সকল ইউনিটকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোরবানির পশুর নির্বিঘ্ন পরিবহন, পশুরহাটে জাল টাকা, চাঁদাবাজি ও ছিনতাই প্রতিরোধ এবং শপিংমল ও বাজারে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অস্ত্র ব্যবহারে সংবেদনশীলতা ও আইন মেনে চলার নির্দেশ
পুলিশের অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে আইজিপি বলেন, “বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের অস্ত্র ব্যবহারের অধিকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত নয়।” তিনি জানান, সশস্ত্র অপরাধী দমন, চরমপন্থী ও বিদ্রোহ-প্রবণ এলাকায় প্রয়োজনে পুলিশ অস্ত্র বহন করবে। তবে জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মিছিল-সমাবেশ নিয়ন্ত্রণে ‘জীবনবিধ্বংসী অস্ত্র’ ব্যবহারের যৌক্তিকতা পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে।

অস্ত্র জমা না দিলে ব্যবস্থা
আইজিপি আরও বলেন, সরকার নির্ধারিত ঘোষণার পরেও যেসব লাইসেন্সধারী ব্যক্তি এখনো অস্ত্র জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপস্থিত কর্মকর্তারা
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ মতিউর রহমান শেখ, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ গোলাম রসুল, অপরাধ ও অপারেশনস বিভাগের অতিরিক্ত আইজিপি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, ডিআইজি (অপারেশনস) মোঃ রেজাউল করিম, ডিআইজি (কনফিডেন্সিয়াল) মোঃ কামরুল আহসানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন